মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু: রাজলক্ষী কমপ্লেক্সের আশেপাশের এলাকায় বেশ কয়েকদিন যাবত ডিএমপি ঢাকঢোল পিটিয়ে উচ্ছেদ অভিযানের ঘোষণা দেন। তারি ধারাবাহিকতায় ৫ই এপ্রিল রোজ রবিবার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে উচ্ছেদ অভিযানের এক ঘন্টার পরেই পুনরায় আবার ভ্যান গুলো নিজ নিজ অবস্থানে বসে পড়ে।
তাই পথচারীরা আক্ষেপ করে বলেন যেই লাউ সেই কদু। উচ্ছেদ অভিযানের সময় নেতৃত্বদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসাদুজ্জামান ফুটপাতের ব্যবসায়ীদেরকে বুঝাতে দেখা যায়। তিনি তাদেরকে ফুটপাত উন্মুক্ত রাখার গুরুত্ব বুঝাতে চেষ্টা করেন। আসাদুজামান মার্কেটের নকশার বেত্রয় ঘটিয়ে যে সকল দোকানপাট নির্মাণ করা হয়েছে তাদের অর্থদণ্ড প্রদান করেন বলে যানা যার।
এছাড়াও আদেশ অমান্যকারী দু একজন দোকানদারকে গ্রেফতার করে থানা হাজত প্রেরণ করা হয়। উক্ত অভিযানে আরো উপস্থিত ছিলেন ট্রাফিক পুলিশের এডিসি রুবেল হক, ট্রাফিক পুলিশের এসি হাসিবুর রহমান সহ উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এসআই রনি।
এই বিষয়ে কথা হলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উত্তরা ট্রাফিক বিভাগে একজন কর্মকর্তা উক্ত প্রতিবেদককে বলেন অন্ততপক্ষে সপ্তাহে একদিন করে অভিযান পরিচালিত হলে ফুটপাত হকার মুক্ত রাখা কোন বিষয়ই না। কিন্তু এই কাজে সহযোগিতার জন্য ক্রাইম সেকশনকে এগিয়ে আসতে হবে সাথে থানা পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। শুধুমাত্র ট্রাফিকের উপরই হকারমুক্ত করার দায়িত্ব অর্পণ করলে এটা কোনভাবেই রোধ করা সম্ভব হবে না।