শিরোনাম
◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ ◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার টি-টোয়েন্টিতে খেল‌বেন রিশাদ হো‌সেন! ◈ ১৩ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মা‌টি‌তে ওয়ান‌ডে জ‌য়ের স্বাদ পে‌লো  শ্রীলঙ্কা ◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফ‌রে যাচ্ছে

প্রকাশিত : ০৫ মে, ২০২৬, ১০:১৩ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪০০ কোটি টাকা প্রতারণা: অ্যাগ্রো প্রজেক্টের নামে টাকা আত্মসাৎ, গ্রেপ্তার ১

রাজধানীতে অ্যাগ্রো প্রজেক্ট খুলে প্রতারণা মাধ্যমে ৪০০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে একটি চক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তারের কথা বলছে পুলিশ।

ঢাকার বাসাবো থেকে মঙ্গলবার তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তুলে ধরেছে সিআইডি।

গ্রেপ্তার ৩৩ বছর বয়সি মো. ওবায়েদুল্লাহর ১৪টি ব্যাংক হিসাবে প্রায় আড়াই কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য পাওয়ারও দাবি করেছে সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নাজরান ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো প্রজেক্ট’ নামে একটি প্রকল্প খুলে বেশি লাভের আশা দেখিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে চক্রটি বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে। তারা বলেছিল, ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা লাভসহ আসলের সমপরিমাণ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ৩৩ মাসে বিনিয়োগকৃত মূলধন দ্বিগুণ হবে।

প্রতারণার অভিযোগে করা একটি মামলার প্রসঙ্গ টেনে সিআইডি বলেছে, ২০২৩ সালের মে মাসে তিনজন কুড়িলে ‘নাজরান ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাগ্রো প্রজেক্টের’ অফিসে গিয়ে ১৭ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। প্রথম দিকে লাভের ৪২ হাজার টাকা ফেরত পেয়ে একই বছরের জুলাই মাসে তারা আরো ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন।

“পরে প্রতারক চক্রের সদস্যরা তিনজনকে ‘বাধ্যতামূলকভাবে প্রজেক্টে প্লট ক্রয়ের কথা বলে’ মোট ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯৮ হাজার টাকা জমা করান। সেখান থেকে তারা লভ্যাংশ হিসেবে ১৮ লাখ ৭২ হাজার টাকা পান। পরবর্তীতে লেনদেন ও অফিস বন্ধ করে চক্রের সদস্যরা আত্মগোপনে চলে যায়,” বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

সিআইডি বলছে, চক্রটি একই কৌশলে অনেক ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ আত্মসাৎ করেছে। প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত চারটি ব্যাংক হিসাব, মানি রিসিট পর্যালোচনা এবং অফিসের সার্ভারে থাকা তথ্যানুযায়ী বিভিন্ন ভুক্তভোগীদের প্রায় ৪০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতারণার অভিযোগ ও মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ওবায়েদুল্লাহর অবস্থান শনাক্ত করে বাসাবো থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ঢাকার ভাটারা, উত্তরা পশ্চিম ও সাভার থানায় তিনটি মামলার তথ্য পাওয়ার দিয়েছে সিআইডি।

এর আগে গত বছরের মে মাসে প্রায় ১৫ হাজার জনের কাছ থেকে ৮০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছিল প্রতারক চক্রটির বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলার কথা বলছে পুলিশ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়