শিরোনাম
◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ ◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার টি-টোয়েন্টিতে খেল‌বেন রিশাদ হো‌সেন! ◈ ১৩ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মা‌টি‌তে ওয়ান‌ডে জ‌য়ের স্বাদ পে‌লো  শ্রীলঙ্কা ◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফ‌রে যাচ্ছে ◈ লিও‌নেল মে‌সি স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেন, বা‌র্সেলোনার অভিনন্দন ◈ রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: যুক্তিতর্ক শুনানি আজ

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ০৭:১১ বিকাল
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঐতিহ্যবাহী কাঁসা-পিতল শিল্প হারিয়ে যাচ্ছে, কারিগররা পেশা বদলে জীবিকা নির্বাহে বাধ্য

এস.এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট প্রতিনিধি: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সুন্দরবনের উপকূলে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী কাঁসা-পিতল শিল্প আধুনিকতার স্রোতে হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় দেশের ঘরে ঘরে নিত্যপ্রয়োজনীয় হিসেবে ব্যবহৃত এসব সামগ্রী এখন আর তেমন দেখা যায় না। ফলে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত কারিগর ও ব্যবসায়ীরা জীবিকার তাগিদে পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

একসময় এ অঞ্চলের কাঁসা-পিতলের সামগ্রী শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও ব্যাপক চাহিদা ছিল। বিদেশি পর্যটকেরাও কারুকাজ খচিত প্রতিমা ও শোপিস কিনে নিয়ে যেতেন। কিন্তু বর্তমানে প্লাস্টিক, লোহা ও স্টিলের তৈজসপত্রের দাপটে কাঁসা-পিতলের ব্যবহার অনেক কমে গেছে। স্বাধীনতার আগে যেখানে ৩০-৪০টি কারখানা ছিল, এখন তা কমে মাত্র ৪-৫টিতে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী আনিসুর রহমান জানান, স্বাধীনতার পর এ ব্যবসা বেশ জমজমাট ছিল। এখন কেবল হিন্দু সম্প্রদায়ের বিয়েতে উপহার হিসেবে কিছু জিনিস কেনা হয়। অন্য সময় বিক্রি প্রায় নেই বললেই চলে।

কারিগর নিমাই পাল বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৫০০ থেকে এক হাজার টাকা উপার্জন করা গেলেও বাইরের কাজ করলে আয় বেশি হয়। এজন্য অনেকে এই পেশা ছেড়ে দিয়েছেন।

শিল্পকর্ম ব্যবসায়ী অরুণ বণিক জানান, একটি নকশা করা থালা বিক্রি হয় ২-২.৫ হাজার টাকায়, কিন্তু লাভ থাকে মাত্র ২০০-৩০০ টাকা। কাঁচামালের দাম কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচও বাড়ছে।

স্থানীয়রা জানান, ঐতিহ্য রক্ষায় সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ না নিলে এ শিল্প শিগগিরই হারিয়ে যাবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়