ফরিদপুরের চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের বি এসে ডাঙ্গী গ্ৰামের নোজুর দোকান এলাকা শেখ সিরাজ ৩৫ পিতা মৃত শেখ জব্বার, মাতা খোদেজা বেগম এর স্ত্রী শারমিন আক্তার ২৫ পিতা মৃত শেখ চানমিয়া , মুন্সী গ্ৰাম চর চাঁদপুর সদরপুর একই উপজেলার কাটাখালী মটক চর গ্ৰামের খালেক মুন্সির ছেলে মাহমুদ মুন্সির সাথে ৭ বছরের কন্যা সন্তান সাবিহা, ২০ লক্ষ টাকা , ফ্রিজ এবং কিছু মালামাল সহ পরকীয়া প্রেমিকের সাথে ৫/৯/২০২৫ ইং তারিখ রোজ শুক্রবার আনুমানিক সকাল ১১ ঘটিকায় পালিয়ে গেছে।
শারমিন আক্তার এর সাথে ইসলামী শরিয়া মতে ১৩ বছর পূর্বে শেখ সিরাজের বিবাহ হয় তাদের দুটি কন্যা সন্তান রয়েছে প্রথম কন্যা সন্তান সানজিদা এগারো বছর দ্বিতীয় কন্যা সন্তান সাবিহা সাত বছর বিয়ের পর থেকে এদের সংসার ভালই চলছিল সিরাজুল রাজমিস্ত্রি কাজ করে শারমিন এর বিরুদ্ধে তিন চার বছর থেকে বিভিন্ন জনের সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হওয়া ঘটনা ঘটতে থাকে এ ব্যাপারে বেশ কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয় সন্তানের দিকে তাকিয়ে সিরাজুল সবকিছু মেনে নিয়ে সংসার করে আসছিল। কিছুদিন পূর্বে সিরাজুলদের কিছু জমি বিক্রি করা হয় ,একটি বাগান বিক্রি করা হয় আরো কয়েকটি গরু বিক্রির টাকা মিলিয়ে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা শারমিন আক্তার তার সহজ সরল স্বামীকে ধোকা দিয়ে নিজের একাউন্টে রাখে এবং এ পরিবারের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন শারমিন আক্তার তার বাবা শেখ চান মিয়া তার ভাই শেখ সিরাজুল ইসলাম জানা যায় শারমিন আক্তারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের নমিনি পর্যন্ত তার ভাই সিরাজুল ইসলামকে দেওয়া হয়েছে গত ২৯ তারিখে বাবার বাড়ি যাওয়ার কথা বলে দুই সন্তানকে রেখে অন্য ছেলের সাথে চলে গিয়েছিল । এ ব্যাপারে শেখ সিরাজ বাদী হয়ে চরভদ্রাসন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন পরবর্তীতে স্থানীয় ফরিদ মেম্বার চড় চাঁদপুর ও দুই পরিবারের সদস্যরা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ মিলে সালিশ বৈঠক করে দেয় শারমিনের একাধিক খোলামেলা ভিডিও বিভিন্নভাবে উদ্ধার করা হয়েছে।
দ্বিতীয়বার শারমিন মাহমুদ মুন্সি এর সাথে পালিয়ে গেলে শেখ সিরাজ বাদী হয়ে চরভদ্রাসন থানায় আরেকটি অভিযোগ দেয়ার করেন এ ব্যাপারে চরভদ্রাসন থানা তদন্তকারী কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ বলেন আমরা অভিযোগ পেয়েছি আমরা এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি যেহেতু আসামির বাড়ি পার্শ্ববর্তী সদরপুর থানা তাই একটু সময় লাগছে আমরা এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব বলে জানান।