শিরোনাম
◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন ◈ হামে ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৬১০, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর ◈ পাহাড়ি অঞ্চলে সফল আর্লি ওয়ার্নিং মডেল: আগাম সতর্কবার্তায় কমছে প্রাণহানি, ভূমিধস মোকাবিলায় নতুন আশার আলো ◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বি‌শ্বের নেতৃত্ব নি‌য়ে যুক্তরাস্ট্র, রা‌শিয়া ও চী‌নের ম‌ধ্যে রশি টানাটানি

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২৫, ০৮:৫৯ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বরিশালের মুলাদীতে ভয়াবহ নদীভাঙন: ঝুঁকিতে ইউনিয়ন পরিষদ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

বরিশাল জেলার মুলাদী উপজেলার চরকালেখা ইউনিয়নের জয়ন্তী নদীর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শত শত পরিবার গৃহহীন হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কয়েক দশক আগে জয়ন্তী নদী প্রায় ৩-৪ কিলোমিটার পশ্চিমে প্রবাহিত হলেও ভয়াবহ ভাঙনের কারণে নদী এখন পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অলিল মেম্বার লঞ্চঘাট থেকে তেরচর পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বসতিপূর্ণ এলাকায় ৯০ শতাংশ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত ৩ অক্টোবর এলাকাবাসী নদীভাঙন প্রতিরোধে মানববন্ধন আয়োজন করে। এ সময় এবি পার্টির ব্যারিস্টার ফুয়াদ অংশগ্রহণ করে বলেন— “অন্তবর্তীকালীন সরকারের মাননীয় উপদেষ্টা, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এবং স্থানীয় প্রশাসন অবিলম্বে ইঞ্জিনিয়ারসহ এখানে আসবেন। কীভাবে লাখ লাখ মানুষকে রক্ষা করা যায়, তার একটি টেকসই সমাধান করতে হবে।”

ঝুঁকিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা

নদীভাঙনের কারণে চরকালেখা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ইউনিয়ন ভূমি অফিস, একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়, চিকিৎসাকেন্দ্র, নোমরহাট ও গলইভাঙা বাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। ইতোমধ্যে বহু কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে স্থানীয়রা খাদ্যসংকটে ভুগছেন।

সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, মুলাদী উপজেলা সদর থেকে সফিপুর, বাটামারা, সেলিমপুর ও নাজিরপুর ইউনিয়নে যাতায়াতের প্রধান সড়কটিও নদীভাঙনের কবলে রয়েছে। নদীটি বর্তমানে সড়ক থেকে মাত্র ২-৩ মিনিট দূরে অবস্থান করছে। দ্রুত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না নিলে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি

গত কয়েক সপ্তাহে নতুন করে শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ বা সিসি ব্লক ফেলা, বাধ নির্মাণ কিংবা স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া এ ভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়।

এলাকাবাসীর আবেদন

এলাকাবাসী সরকারের প্রতি আবেদন জানিয়েছে— অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এই ভয়াবহ নদীভাঙন প্রতিরোধ করা হোক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়