কল্যাণ বড়ুয়া, বাঁশখালী(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের বাঁশখালীর সাগর উপকুলীয় সরল ইউনিয়নের পশ্চিম সরলে বুধবার (৮অক্টোবর) সন্ধ্যায় শমসু গ্রুপ ও গিয়াস উদ্দিন গ্রুপের মধ্যে আবারো সংঘর্ষের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। দেশীয় অস্ত্র ও অবৈধ অস্ত্র নিয়ে জড়িয়ে পড়া এ সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা দু'গ্রুপের আহত ৮ জনকে বুধবার ৮টার দিকে চমেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানা গেছে ।
ঘটনায় আহতেরা হলেন সরল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের শমসু গ্রুপের মৃত শামসুল আলমের পুত্র মোহাম্মদ মানিক (৩৫), শহিদুল ইসলামের পুত্র মানিক (২৬),গিয়াস উদ্দিন গ্রুপের মৃত আবদুল হকের পুত্র মোঃ আরিফ (৩৭),আবু বক্করের পুত্র রাজীব উদ্দিন (১৭),মৃত সুলতান আহমদের পুত্র মোঃ ফেরদৌস (৩২),শফি আলমের পুত্র মোঃ ফাহিম (১৯),জামাল উদ্দিনের পুত্র মঈন উদ্দিন(১৪),মৃত আফজল মিয়ার পুত্র শাহাব উদ্দিন (৪০)। তাদের প্রত্যেককে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে চমেক হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে বলে জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ রাশেদুল ইসলাম জানান ।
এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন," সরলের বিবাদমান গ্রুপের মধ্যে বুধবার সন্ধ্যায় হওয়া ঘটনাটি খুবই নগন্য ঘটনা ,এখানে তেমন কেউ হতাহত হয়নি । তবে হাসপাতালে ৮ জনের চিকিৎসা গ্রহন ও চমেকে প্রেরণের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ডাক্তারের ব্যাপার বলে উল্লেখ করেন "।
বুধবার রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন পক্ষ থেকে থানা মামলা কিংবা অভিযোগ দেওয়া হয়নি বলে সুত্রে জানা যায়্।
উল্লেখ্য এর আগে ৬ অক্টোবর সংঘর্ষের ঘটনায় ১৫জন, ১১ সেপ্টেম্বর সংঘর্ষের ঘটনায় ৫জন, ২২এপ্রিলের সংঘর্ষের ঘটনায় প্রায় অর্ধশত এবং ২৪ এর ৯ডিসেম্বর সংঘটিত ঘটনায় ২০জন আহত ও গুলিবিদ্ধ হয়েছিল।
এছাড়া প্রতিনিয়ত অবৈধ অস্ত্রের মহড়া চলে বলে স্থানীয় জনগনের অভিযোগ । একদিকে থানা থেকে দুরে অপরদিকে সাগর উপকুলীয় এলাকা হওয়াতে অপরাধীরা মুহুর্তের মধ্যে আত্নগোপন হয়ে যেতে পারায় বার বার অপরাধ করে পার পেয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় জনগনের অভিযোগ । সাধারন জনগনের দাবী যতদিন পর্যন্ত প্রশাসন জোরালো ভাবে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও অপরাধীদের সাড়াশি অভিযানের মাধ্যমে গ্রেফতার করা হবে না সরলের এ সংঘাত শেষ হবে না বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান।