শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:০৭ দুপুর
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার প্রতি খরচ বেড়েছে ২২ হাজার ৮০০ টাকা

চট্টগ্রাম বন্দরে আসা ২০ ফুট এককের একটি কনটেইনার (টিইইউ) জাহাজ থেকে নেমে ঢাকার কোনো কারখানা হয়ে প্রাইম মুভারে করে ডিপোতে এলে খরচ হতো গড়ে ৬০ হাজার টাকা। একই কনটেইনার এখন একই ধাপ পেরোতে খরচ গুনতে হবে প্রায় ৮৩ হাজার টাকা।

চট্টগ্রাম বন্দরে ২০ ফুট এককের একটি কনটেইনার থেকে এতদিন গড়ে মাশুল আদায় হয়েছে ১১ হাজার ৮৫০ টাকা। গত ১৫ অক্টোবর নতুন মাশুল কার্যকর হওয়ায় কনটেইনারপ্রতি এখন বাড়তি দিতে হচ্ছে গড়ে চার হাজার ৪০০ টাকা। একই কনটেইনার কারখানা থেকে ডিপোতে গেলে সেখানে আবার বাড়তি গুনতে হচ্ছে আট হাজার ৪০০ টাকা। ডিপো থেকে জাহাজে ওঠালে বাড়তি ভাড়া নেবেন শিপিং মালিকরা। সেখানে কনটেইনারপ্রতি যোগ হবে আরও অন্তত পাঁচ হাজার টাকা। খরচ বাড়ায় পরিবহন মালিকরাও প্রতিটি কনটেইনার পরিবহনে নতুন করে পাঁচ হাজার টাকা ভাড়া বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। এটি যদি কার্যকর হয়, তাহলে চারটি ধাপেই ২০ ফুট এককের একটি কনটেইনারকে বাড়তি খরচ গুনতে হবে অন্তত ২২ হাজার ৮০০ টাকা! সেই হিসাবে গড়ে ৬০ হাজার টাকা খরচ হতো যে কনটেইনারে, তাতে এখন খরচ হবে অন্তত ৮২ হাজার ৮০০ টাকা।

পোর্ট ইউজার্স ফোরাম এই মাশুল বাতিল করতে সরকারকে গত শনিবার এক সপ্তাহের আলটিমেটাম দেয়। এর মধ্যে সিদ্ধান্ত না পেলে বন্দর অচল করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন তারা। এই আলটিমেটাম শেষ হয়েছে গতকাল শুক্রবার। 

পোর্ট ইউজার্স ফোরামের আহ্বায়ক ও চিটাগং চেম্বারের সাবেক সভাপতি আমীর হুমায়ুন মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বন্দর, ডিপো, শিপিং মালিক, পরিবহন মালিক– সবাই একে অপরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বাড়তি খরচ পোষাতে সবাই যদি মাশুল বা ফি বাড়ায়, তাহলে কোথায় যাবেন ব্যবসায়ীরা। 

এফবিসিসিআইর সাবেক পরিচালক ও সিকম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিরুল হক বলেন, বন্দরকে মাশুল বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে। আলোচনা করে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নইলে বন্দর অচল করে দেবেন ব্যবহারকারীরা। 

এদিকে, খরচ বাড়ার উদাহরণ টেনে শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ জানান, তাদের ‘এমভি ভেসপার’ নামে একটি খোলা পণ্যের জাহাজ ৩০ হাজার টন কয়লা নিয়ে বন্দরে নোঙর করবে আগামী রোববার। আগের ট্রিপে এই জাহাজ বন্দরে এসে ২১ হাজার ডলার খরচ বহন করেছে। তবে এবারের ট্রিপে তাদের খরচ হচ্ছে ৪১ হাজার ডলার। এ হিসাবে খোলা পণ্যের জাহাজে শুধু বন্দরেই তাদের খরচ বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। সূত্র: সমকাল 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়