শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ২৫ অক্টোবর, ২০২৫, ০৮:৩২ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রংপুর খালাশপীর কয়লা খনি: ১৯ বছরেও শুরু হয়নি উত্তোলন, দেশের ৫০ বছরের চাহিদা পূরণের সম্ভাবনা

রংপুরের খালাশপীর কয়লাখনিতে উত্তোলন কার্যক্রম শুরু হলে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। এখানকার কয়লা দিয়ে দেশের ৫০ বছরের চাহিদা পূরণ হবে। পাশাপাশি বাড়তি কয়লা রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যাবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত না পাওয়ায় এত সম্ভাবনার এ খনি থেকে ১৯ বছরেও কয়লা উত্তোলন সম্ভব হয়নি।

২০০৬ সালের আগস্টে এখানকার কয়লাসংক্রান্ত সমীক্ষা রিপোর্ট বাংলাদেশ খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো অধিদপ্তর, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পেট্রোবাংলাসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়। এখন পর্যন্ত আলো পড়েনি লালফিতায় বন্দি সেই ফাইলে। যদিও এ প্রকল্পে কাজ করছেন ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, খালাশপীর কয়লা খনি দেশের মূল্যবান সম্পদ। এ খনি থেকে কয়লা উত্তোলন শুরু হলে এখানকার মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে। হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, কমবে বেকারত্ব। এখানকার কয়লা দিয়ে দেশের ৫০ বছরের চাহিদা পূরণ হবে। একই সঙ্গে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনও সম্ভব হবে।

খনির এক সূত্র জানান, রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরে মাগুরা গ্রামে ১৯৫৯ থেকে ’৬২ সাল পর্যন্ত ওই খনির অবস্থান নির্ণয় করা হয়। ১৯৮৯-৯০ সালে ২৫ বর্গকিলোমিটার খনি এলাকায় প্রাথমিকভাবে চারটি কূপ খনন করে তিনটিতে ২৮৪ থেকে ৪৮০ মিটার গভীরতায় উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লার সন্ধান পাওয়া যায়। খনিতে ৮২৮ মিলিয়ন টন কয়লার মজুত থাকলেও সম্ভাব্য মজুতের পরিমাণ ধরা হয়েছে ৬৭৫ মিলিয়ন টন। গড়ে ২৫৭ মিটার মাটির নিচে এ কয়লার মজুত রয়েছে। সূত্রমতে খালাশপীর কয়লা খনির ৭ বর্গকিলোমিটার এলাকায় কোকিং কোল জাতের উন্নতমানের কয়লার স্তরের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার শতকরা ২৫ ভাগই অনায়াসে উত্তোলন করা সম্ভব। এখানে বিটুমিনাস নামে উচ্চ জ্বালানি ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লা রয়েছে। এতে ক্ষতিকর সালফারের উপস্থিতি ১ ভাগেরও কম। খনির এক স্তরে ধাতু গলানোর কাজে ব্যবহৃত কোকিং কোল ও চুনাপাথর এবং কাচবালু রয়েছে, যার বিশাল চাহিদা আন্তর্জাতিক বাজারে। খালাশপীর কয়লা খনি প্রকল্পের ডিজিএম অনুপ কুমার রায় বলেন, ‘আমরা বিভিন্ন গবেষণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। কয়লা উত্তোলনের বিষয়টি সরকারের ওপর নির্ভর করছে।’ সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়