শিরোনাম
◈ রাজধানীতে ছুরিকাঘাতে সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ককে হত্যা ◈ পদ্মার চর থেকে সবুজ জ্বালানি : পাবনায় দুই সোলার পার্কে ১৬৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগ হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে ◈ মঙ্গলবার ভো‌রে বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি ম‌্যা‌চে মিশ‌রের মু‌খোমু‌খি ব্রাজিল ◈ কোরআ‌নে চুমু দি‌য়ে যাত্রা শুরু, মেক্সিকোতে ইরানের বিশ্বকাপ দল‌কে উষ্ণ অভ্যর্থনা ◈ নাহিদ রানাকে নিয়ে আতং‌কে আ‌ছি, বললেন অ‌স্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ◈ মোবাইলের স্ক্রিন থেকে মাঠে ফিরুক শিশুরা, খেলার মাঠ ও পার্ক দখলমুক্তের ঘোষণা সংসদে ◈ ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেই, তবু বলছি’— আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে রুমিন ফারহানার তোপ ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে ইংল্যান্ড দ‌লের ক‌্যা‌ম্পের কা‌ছেই বন্দুক হামলা, নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বিশ্বকাপের অ‌নেকগুলো দল ◈ এলডিসি উত্তরণের প্রভাব: ঝুঁকিতে সাড়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি: বাণিজ্যমন্ত্রী ◈ উত্তরবঙ্গের আকাশপথে নতুন দিগন্ত, ৩ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে বগুড়া বিমানবন্দর

প্রকাশিত : ০১ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ অপসারণ, অন্য জায়গায় আবার অনিয়ম শুরু 

চরভদ্রাসন ও সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীর চর গোপালপুর মৌজায় মুজিব কেল্লার বিপরীত পাশে অবৈধভাবে নির্মিত আড়াআড়ি বাঁধ অপসারণে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকালে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুটি প্রভাবশালী মহলসহ কয়েকটি জেলে গোষ্ঠী মিলে নদীর প্রায় দুই কিলোমিটারজুড়ে সাত থেকে আটটি স্থানে এসব বাঁধ নির্মাণ করে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে নদীর প্রাকৃতিক মাছের প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি লক্ষ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জায়েদ হোসাইন। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব, চরভদ্রাসন থানার এসআই রতন কুমার মণ্ডল, মোবাইল কোর্ট পেশকার রাসেল মুন্সিসহ পুলিশ ও প্রশাসনের অন্যান্য সদস্যরা।

অভিযানকালে প্রশাসন আড়াআড়ি বাঁধ ছাড়াও নদীতে স্থাপিত একটি বড় মাছের ঘের ও ১০টি চায়না দোয়ারী ধ্বংস করে। পরে জব্দ করা জালগুলো নদীর তীরে এনে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জায়েদ হোসাইন বলেন, মৎস্য প্রজাতি রক্ষায় পদ্মা নদীতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। যেসব স্থানে অবৈধ বাঁধ ও মাছের ঘের রয়েছে, সেগুলোও পর্যায়ক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।

অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে বলেন, এই ধরনের অভিযান যদি নিয়মিত হতো, দেশি মাছ আরও বেশি ধরা যেত। এক জায়গায় অভিযান হলেও, অন্য জায়গায় আবার অনিয়ম শুরু হয়। ২২ দিনের ইলিশ নিষেধাজ্ঞার সময়েও এসব কার্যক্রম মৎস্য কর্মকর্তাদের চোখ এড়িয়ে যায়। কালো টাকার বিনিময়ে প্রায় এক মাস ধরে এই অবৈধ কাজ চলছে। সব আইন যেন শুধু গরিবের জন্যই।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়