শিরোনাম
◈ ইরানে ইসরাইলের পালটা হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা ◈ ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপাইন, সুনামির ঝুঁকিতে উপকূলীয় এলাকা ◈ পুশইন ঠেকাতে রাত জেগে সীমান্ত পাহারায় ৫ শতাধিক বাংলাদেশি ◈ ইরানের বিরুদ্ধে পালটা অভিযানে না যেতে নেতানিয়াহুকে অনুরোধ করবেন ট্রাম্প ◈ মালদ্বীপের সঙ্গে ড্র করে ফাইনালের স্বপ্ন শেষ বাংলাদেশের ◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:৫২ বিকাল
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাছের পাতায় পাতায় আমের মুকুলের শুভ্র গন্ধ, ঝড়তুফান কম হলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা

এন এ মুরাদ, মুরাদনগর : কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার গ্রামজুড়ে এখন আমের মুকুলের সুবাসে ভরে উঠেছে চারপাশ। গাছের পাতায় পাতায় সোনালি-সবুজ মুকুলের ছোঁয়া, আর বাতাসে ভেসে বেড়ানো মিষ্টি গন্ধ জানান দিচ্ছে—এসে গেছে আমের মৌসুমের পূর্বাভাস। প্রকৃতির এই রূপে মুগ্ধ পথিক।  কৃষকদের চোখে মুখেও স্বস্তি আর হাসির  ঝিলিক।

উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে দেখা যায়, ছোট-বড় প্রায় সব আমগাছেই এ বছর মুকুলের সমারোহ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে গাছে মুকুলের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি বলে জানান স্হানীয়রা। বিশেষ করে গত কয়েক সপ্তাহে তাপমাত্রা ও হালকা রোদেলা আবহাওয়া মুকুল ধরতে সহায়ক হয়েছে।

স্থানীয় আমচাষি আব্দুল জলিল   বলেন, “গত বছরের তুলনায় এ বছর মুকুল অনেক বেশি এসেছে। যদি অতিরিক্ত ঝড়-বৃষ্টি না হয়, তাহলে ভালো ফলনের আশা করছি।” আরেক চাষি জানান, মুকুলের সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টি হলে মুকুল ঝরে পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এখন সবার নজর আকাশের দিকে।

প্রতি বছর আমের মৌসুম ঘিরে মুরাদনগরের গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক ধরনের প্রাণচাঞ্চল্য দেখা দেয়। আম বিক্রিকে কেন্দ্র করে মৌসুমি শ্রমিকের কর্মসংস্থান তৈরি হয়, বাজারে বাড়ে লেনদেন। অনেক পরিবারের জন্য এটি বাড়তি আয়ের অন্যতম উৎস।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা  বলেন, এ সময়টায় আমগাছের যত্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক প্রয়োগ, সঠিক পরিচর্যা এবং ঝড়-তুফান থেকে গাছ রক্ষার ব্যবস্থা নিলে ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগই সবচেয়ে বড় শঙ্কা।

এদিকে, আমের মুকুলে মৌমাছির আনাগোনা বেড়েছে। গুঞ্জনে মুখর হয়ে উঠেছে বাগানগুলো। প্রকৃতির এই মেলবন্ধন যেন আগামীর সুস্বাদু ফলনের বার্তা দিচ্ছে।

চাষিদের প্রত্যাশা—আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বড় ধরনের ঝড়-তুফান না এলে এ বছর মুরাদনগরে আমের বাম্পার ফলন হবে। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা -মুকুল থেকে কাঁচা আম, আর কাঁচা আম থেকে রসালো পাকা আম ঘরে তুলার।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়