শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৩৭ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে ২৫ বছরেও ‘ভূতুড়ে’ বিসিআইসি সার ডিলার বহাল

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে কাগজে-কলমে থাকা ‘ভূতুড়ে’ বিসিআইসি সার ডিলারদের বহাল রেখে প্রকৃত ব্যবসায়ীদের বঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত দরখাস্ত দিয়েছেন স্থানীয় একাধিক ব্যবসায়ী।

 কৃষক লাভলু মিয়া জানান, জীবননগরে তালিকাভুক্ত কয়েকজন বিসিআইসি সার ডিলারের বাস্তব কোনো অস্তিত্ব নেই। মাঠ পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে আমরা তাদের কোনো কার্যক্রম দেখতে পাননি। তবুও দীর্ঘদিন ধরে তারা ডিলার হিসেবে বহাল রয়েছেন।

সার ব্যবসায়ী আবু সাঈদ বাবুল বলেন,  আমি ২০১৭ সালে প্রায় তিন লাখ টাকা এবং পরবর্তীতে আরও পাঁচ হাজার টাকা জমা দিয়ে বিসিআইসি সার ডিলার নিয়োগের জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও আমি কোনো নিয়োগ পাননি।

তিনি অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালের নীতিমালা অনুযায়ী জেলার বাইরে কোনো ব্যক্তিকে ডিলার নিয়োগের সুযোগ নেই। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, তালিকাভুক্ত কয়েকজন ডিলার ওই এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা নন এবং তাদের কোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রমও নেই। এমনকি ২৪ বছরেও তারা লাইসেন্স নবায়ন করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও জানা যায়, ২০২৪ সালে রাষ্ট্রপতির এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে নতুন করে কিছু ডিলারকে তালিকাভুক্ত করা হয়, যেখানে পূর্বের বিতর্কিত ডিলারদেরই পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট পিটিশনও দায়ের করা হয়েছে।

আবেদনকারী দাবি করেন, তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র উদঘাটন করে অকার্যকর ও ভুয়া ডিলারদের তালিকা বাতিল এবং যোগ্য ও সক্রিয় ব্যবসায়ীদের ডিলারশিপ প্রদান করা হোক। একই সঙ্গে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে কোনো ডিলার নিয়োগ বা বরাদ্দ না দেওয়ারও অনুরোধ জানান তিনি।

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর হোসেনের  মুঠোফোনে যোগাযোগ  করা হলে কল রিসিভ না করায় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় বেশ কয়েকজন কৃষকরা জানান, প্রকৃত ডিলার না থাকায় অনেক সময় সার সংকট তৈরি হয় এবং তারা হয়রানির শিকার হন। দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান চান তারা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়