শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৩৩ বিকাল
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাঁশখালী বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত সড়কের প্রবেশমুখে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, জনভোগান্তির অবসান

কল‌্যাণ বড়ুয়া, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতি‌নি‌ধিঃ চট্টগ্রা‌মের বাঁশখালী বাহারছড়া সমুদ্র সৈকত সড়কে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (LGED) বাস্তবায়িত ৫.০৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সালেহা বাপের পুল থে‌কে বশির উল্লাহ মিয়াজী বাজার জিসি সড়কের প্রবেশ মুখে রাস্তার ওপর অবৈধভাবে নির্মিত চারটি দোকানঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে উপ‌জেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকনের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান প‌রিচালনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে অভিযানটি সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। এ অবৈধ স্থাপনার ফ‌লে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনগণকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছিল।

জানা যায়, বাংলাদেশের দ্বিতীয় দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত বাঁশখালী বাহারছড়া সমুদ্র সৈকতে যাওয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে অবৈধ দোকানঘর নির্মাণের ফলে নিয়মিত যানজট লেগে থাকত। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক সড়ক দুর্ঘটনাও ঘটে, যা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করে।

এ প্রেক্ষিতে এলাকাবাসী উপ‌জেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিন তদন্ত চালানো হলে সরকারি খাস জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ এবং এর ফলে জনভোগান্তির সত্যতা পাওয়া যায়। পরে অভিযুক্তদের অবৈধ স্থাপনা অপসারণের জন্য সাত দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়।

নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়ার পর সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপ‌জেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ওমর সানী আকনের উপস্থিতিতে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।  পু‌লিশ সহ প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে অভিযানটি সফলভাবে সম্পন্ন করা হয় এবং অবৈধ চারটি দোকানঘর অপসারণ করা হলে সাধারন জনগন কৃতজ্ঞতা জানান উপ‌জেলা প্রশাসন‌কে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়