শিরোনাম
◈ ‘মোদি আর এক বছরও টিকবেন না’, জরুরি অবস্থা জারি হতে পারে : রাহুল গান্ধী ◈ জাপা‌নের ভা‌র্ডিকে হারিয়ে এশিয়ার সেরা উত্তর কো‌রিয়ার ক্লাব! কিমের সঙ্গে নাচলেন ফুটবলাররা ◈ কারামুক্ত আইভীর বাড়ির সামনে সিসি ক্যামেরা, নজরদারিতে পুলিশ ◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার

প্রকাশিত : ০৯ মে, ২০২৬, ০৮:৫৫ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিশোরগঞ্জে রোদে ঝলমলে ফিরেছে প্রাণ, হাওরে বইছে বৈশাখী ব্যস্ততা

ফারুকুজ্জামান, কিশোরগঞ্জ : অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার পর গত তিনদিন ধরে আকাশে ঝলমলে রোদ আর হালকা বাতাস থাকায় হাওরাঞ্চলের কৃষক-কৃষাণিদের মাঝে ফিরে এসেছে স্বস্তি। এখন মুখর হয়ে উঠেছে হাওরপাড়ের কৃষক। সড়ক, খলা ও বাড়ির উঠানে ভেজা ধান শুকানো, মাড়াই ও ধান ঘরে তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক পরিবারের সব বয়সী মানুষ।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কিশোরগঞ্জের হাওর  ইটনা, মিঠামইন, নিকলীর সড়ক জুড়ে একপাশে রোদে ধান নাড়ছেন কৃষাণিরা, কোথাও বাতাসে ধান উড়িয়ে চিটা আলাদা করছেন কৃষকরা। শুকানো ধান কেউ ট্রাক্টরে, কেউ ঠেলাগাড়িতে করে বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছেন। একইসঙ্গে হাওরের তীরবর্তী জমি থেকে কাটা ধান এনে স্তূপ করে রাখা হচ্ছে এবং সেখানেই মেশিন দিয়ে মাড়াই চলছে। কয়েকদিন পর রোদের দেখা মেলায় হাওরে বৈশাখের এই কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দুর্ভোগে পড়া কৃষকদের কাছে এই রোদ যেন স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে। নিকলী এলাকার কৃষক কামরুল হাসান  বলেন- এক সপ্তাহ আগে যদি-এমন রোদ থাকতো, তাহলে জলাবদ্ধতার কারণে ধানের এত ক্ষতি ও কষ্ট হতো না। তবে গত তিনদিনের রোদে কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। 

এভাবে কয়েকদিন রোদ থাকলে হাওরের ধান ও খড় সহজেই ঘরে তোলা যাবে। কৃষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন- জেলার সবচেয়ে বড় নিকলীর হাওর এই হাওরের হাজার হাজার জমির পাকা ধান তলিয়ে গেছে। কিন্তু বৃষ্টির পানির কারণে ধান কাটতে ভীষণ চাপে আছে কৃষক পাচ্ছে না শ্রমিক। 

নিকলীর লতিফা বেগম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে রোদ থাকায় যতটুকু ধান কাটা হয়েছে তা নিয়ে হাওরে বৈশাখী আমেজ ফিরে এসেছে। আমরা এখন ধান শুকিয়ে ঘরে তুলতে পারছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. সাদিকুর রহমান জানান,  মাঠপর্যায়ের তথ্যমতে জেলায় ১০ হাজার ৫০ হেক্টর জমি পানির নিচে চলে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইটনা ও অষ্টগ্রাম উপজেলায়।

তিনি আরও বলেন, মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করছেন আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। তবে কৃষকদের দাবি অনুযায়ী, বাস্তবে পানিতে তলিয়ে যাওয়া জমির প্রকৃত পরিমাণ সরকারি হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি।

কৃষি বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত হাওরে ৬০ ভাগ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। তবে বাকি ৪০ ভাগ ধান নিয়ে এখন চরম শঙ্কায় দিন কাটছে হাওরবাসীর।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়