শিরোনাম
◈ মমতার বিস্ফোরক মন্তব্যেও নীরব দিল্লি, বক্তব্য নেই বিজেপির ◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০২৬, ০৭:৫৬ বিকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চামড়ার দাম কম, পাচারের শঙ্কা : বেনাপোল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার

আজিজুল হক, বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি: দেশে কোরবানির পশুর চামড়ার দাম কম থাকায় এবারও ভারত সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচারের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে যশোরের বেনাপোল সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির পাশাপাশি সীমান্ত শহরে পুলিশের টহলও জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সার্বক্ষণিক নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোরবানির পর যতদিন পর্যন্ত চামড়া পাচারের সম্ভাবনা থাকবে, ততদিন এই বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

তথ্য বলছে, সরকার চলতি বছর গরুর লবণযুক্ত চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুটে ২ টাকা বাড়ালেও বাস্তবে সেই দাম পাচ্ছেন না মৌসুমি ব্যবসায়ী ও কোরবানিদাতারা। অনেক ক্ষেত্রে গত বছরের তুলনায় প্রতি পিস গরুর চামড়ায় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কম পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে ছাগলের চামড়া কিনতেও আগ্রহ কম ব্যবসায়ীদের।

বৃহস্পতিবার বিকালে পবিত্র ঈদুল আজহার দিন বেনাপোল বন্দরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চামড়ার বাজারে হতাশা বিরাজ করছে। অনেক বিক্রেতা বলছেন, দেশের বাজারে ন্যায্য দাম না পাওয়ায় কেউ কেউ বেশি দামের আশায় পাচারকারীদের কাছে চামড়া বিক্রি করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

সীমান্তে বসবাসকারীরা জানান,পাশ্ববর্তী দেশ ভারতে গরুর চামড়ার দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় প্রতিবছর কোরবানির সময় সীমান্ত পথে চামড়া পাচারের ঝুঁকি তৈরি হয়। তবে এ বছর যাতে কোনোভাবেই সীমান্ত দিয়ে চামড়া পাচার না হয়, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

এদিকে চামড়া বিক্রেতারা জানান, বড় গরুর চামড়া ৫ থেকে ৬শ। আর ছাগলের চামড়া ৫ থেকে ১০ টাকা। কেনা দামও পাচ্ছিনা মহাজনদের কাছ থেকে। সরকারি রেটের সঙ্গে বাস্তব বাজারদরের কোনো মিল নেই। বাধ্য হয়ে কম দামে চামড়া বিক্রি করতে হচ্ছে। 

বেনাপোল পোর্ট থানার উপপরিদর্শক তাপস কুমার আঢ্য বলেন, চামড়া পাচার প্রতিরোধে বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে পুলিশ কাজ করছে। সীমান্ত শহরে টহল জোরদার করা হয়েছে।

তথ্য বলছে, ট্যানারি মালিকরা চলতি বছর ৭৫ থেকে ৮০ লাখ পিস কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়