শিরোনাম
◈ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জের মধ্যে ইতিহাস গড়া বাজেট, লক্ষ্য প্রবৃদ্ধি ও স্থিতিশীলতা ◈ ৪৮ দলের মহারণ, আজ পর্দা উঠছে বিশ্বকাপের ◈ আমার চারটি গাড়ি আছে, চারজন ড্রাইভার আছে, খুব একটা গরীব মানুষ, না: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলা‌দে‌শের মুশ‌ফিকুর র‌হিম ও তাইজুল আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটারের দৌড়ে ◈ আইসিসি শাস্তি দি‌লো নাহিদ রানা‌কে ◈ প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে সেই সড়কের ইট তুলে নেওয়া হলো! ◈ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, সই হতে পারে ১২টি চুক্তি ◈ অফিসে ঢুকে বলে, “বাপে ফোন দেয়, ধরস না কেন? বাপের সঙ্গে কথা না বলে কীভাবে ব্যবসা করিস সেটা দেখবো” ◈ ইসলামী ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ প্রবাসীদের জন্য সুখবর: ১৩ ধরনের ওয়ার্ক পারমিটে নতুন সুবিধা, শ্রমবাজার আধুনিক করছে আমিরাত

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৬, ০৮:৩৬ রাত
আপডেট : ১১ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বর্ষার শুরুতে পর্যটকে মুখরিত মিরসরাইয়ের ঝর্না

জুয়েল নাগ, মিরসরাই উপজেলা: মিরসরাইয়ের পাঁচটি ঝর্নায় মুখরিত হচ্ছে হাজার হাজার পর্যটকের প্রচারনায়। বর্ষার আগমনী বৃষ্টিতে প্রাণ ফিরে পেয়েছে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের পাহাড়ি ঝরনাগুলো। সবুজ পাহাড়, পাথুরে ঝিরিপথ আর ঝরনার স্বচ্ছ স্রোত দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন পর্যটকেরা। ঈদের ছুটি শুরুর পর থেকেই এ ভিড় বেড়েছে। তবে প্রকৃতির এই অপার সৌন্দর্যের পাশাপাশি রয়েছে দুর্ঘটনার শঙ্কাও। পর্যটকদের অসচেতনতা, অনভিজ্ঞতা ও অতিরিক্ত সাহসিকতার কারণে প্রতিবছরই ঝরনাগুলোতে ঘটে নানা দুর্ঘটনা। তাই নিরাপদ ভ্রমণের জন্য মেনে চলতে হবে কিছু সতর্কতা।

বন বিভাগ জানায়, চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন বারৈয়ারঢালা জাতীয় উদ্যানের প্রায় ২ হাজার ৯৩৫ একর বনাঞ্চলজুড়ে রয়েছে খৈয়াছড়া, নাপিত্তাছড়া, রূপসী, সোনাইছড়ি ও বাওয়াছড়া ঝরনা। আকৃতি ও সৌন্দর্যের কারণে খৈয়াছড়া, নাপিত্তাছড়া ও রূপসী ঝরনায় পর্যটকের ভিড় সবচেয়ে বেশি।

ঝরনাগুলোতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য ২০১০ সাল থেকে ইজারা দিয়ে আসছে বন বিভাগ। চলতি বছরের ২৩ মে থেকে আগামী বছরের ২৪ মে পর্যন্ত এক বছরের জন্য ৪০ লাখ ১০০ টাকায় ঝরনাগুলোর ইজারা পেয়েছে থ্রি-বি নামের একটি প্রতিষ্ঠান। ইজারার শর্ত অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের কাছ থেকে ২০ টাকা এবং অপ্রাপ্তবয়স্কদের কাছ থেকে ১০ টাকা প্রবেশমূল্য নেওয়া হয়।

ঢাকার উত্তরা থেকে আসা মোঃ কাউসার জানান রূপসী ঝর্ণায় আমরা প্রথম এলাম। এটি খুব চমৎকার ঝর্ণা তবে পর্যটকদের জন্য যথেষ্ট গাইড প্রয়োজন। কিছু ঝুঁকিপূর্ণ পয়েন্ট আছে এগুলি নির্ধারণ করলে পর্যটকরা প্রাণ হারাবে না। পাশাপাশি সৌন্দর্য উপভোগ করবে।

মিরসরাই এর ঝর্ণা গুলি যেমন দেখতে সুন্দর তেমনি মাঝে মাঝে হয়ে উঠে ভয়ংকর। তাই পর্যটকদের কিছু বিষয় মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে অতিবৃষ্টিতে ঝর্ণায় যাওয়া যাবে না তখন ফাস্ট ফ্ল্যাডের ঝুঁকি থাকে। ঝর্ণার পানির নিচে শুরু গর্ত থাকলে এগুলি এড়িয়ে চলতে হবে। ঝরনার উঁচু জায়গায় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়া উঠা যাবে না। ঝরনার নির্দিষ্ট কিছু পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ ও পয়েন্টগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, সারা বছরই পর্যটকেরা এসব ঝরনায় এলেও বর্ষাকালে পানির প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় ভিড় কয়েক গুণ বাড়ে। এবার বৈশাখ মাসের ভারী বৃষ্টি এবং ঈদের দীর্ঘ ছুটি মিলিয়ে ঝরনাগুলোতে পর্যটকের চাপ বেড়েছে। সরকারি ছুটি ও উৎসবের দিনগুলোতে শুধু খৈয়াছড়া ঝরনাতেই দুই হাজারের বেশি পর্যটক আসছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়