সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রবিবার সন্ধ্যায় ধানমন্ডির একটি জিমনেসিয়াম থেকে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়।
আরেক সিনিয়র সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না নিজের ফেসবুক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন। তবে ডিবির পক্ষ থেকে এখনও বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে যোগযোগ করা হয় ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন— ‘বিষয়টি আমি এখনও অবগত নই’।
এদিকে রাত নয়টার দিকে আনিস আলমগীর একাধিক গণমাধ্যমে নিজের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন রিসিভ করে জানিয়েছেন, ধানমণ্ডি এলাকার একটি জিম (ব্যায়ামাগার) থেকে তাকে ডিবিতে আনা হয়েছে। ডিবির পক্ষ থেকে তাকে বলা হয়েছে, তাদের প্রধান আমার সঙ্গে কথা বলবেন।
তিনি আরও বলেন, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে ধানমন্ডি থেকে আনা হয় এবং রাত ৮টার দিকে তারা ডিবি কার্যালয়ে পৌঁছান। তখন থেকে তিনি সেখানেই (ডিবিতে) অপেক্ষা করছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে পড়াশোনা করা আনিস আলমগীর দৈনিক দেশ পত্রিকায় স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০১৭ সালে তিনি মানবকণ্ঠের সম্পাদক হিসেবে যোগ দেন। এরপর আগে এশিয়ান টিভিতে হেড অব নিউজ অ্যান্ড কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স পদে কর্মরত ছিলেন।
আনিস আলমগীরই একমাত্র সাংবাদিক যিনি ইরাক ও আফগানিস্তান যুদ্ধের সময় যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরাসরি সংবাদ পরিবেশন করেছেন।
তবে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর রাজনীতি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে বিভিন্ন টকশোতে দলটির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন আনিস আলমগীর। যা বেশ সমালোচিত হয়।
এদিকে রাত সোয়া নয়টার দিকে ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুর রহমান গণমাধ্যমে জানান, আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। এখনও তার বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
সূত্র: ঢাকা টাইমস