শিরোনাম
◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর ◈ ৩০০ দিনে ১৭ দেশ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে ৩ ভক্ত সাইক্লিস্ট  ◈ হাদি ইস্যুতে মমতার মন্তব্য; যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৯ মে, ২০২৬, ১২:৪৬ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাইপ্রাসের আদালতে এস আলমের বিরুদ্ধে জব্দাদেশ

ব্যাংক জালিয়াতি ও ৮০০ কোটি ইউরো অর্থ পাচারের অভিযোগে এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম (এস আলম) এবং তার স্ত্রীর মালিকানাধীন সাইপ্রাসের একটি সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে। চলমান একটি ফৌজদারি তদন্তের অংশ হিসেবে বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ জারি করেছে সাইপ্রাসের নিকোসিয়া জেলা আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সাইপ্রাস মেইল। গত ১৯ মে সাইপ্রাসের অর্থপাচারবিরোধী ইউনিট মোকাস (মোকাস)-এর আবেদনের পর এস আলম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে সম্পত্তি জব্দের আদেশ আসে। বাংলাদেশ ও সাইপ্রাসের মধ্যে পারস্পরিক আইনি সহায়তা প্রক্রিয়ার আওতায় এই অনুরোধ পাঠানো হয়।

তবে সাইফুল আলম তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ২০১৬ সালে সাইপ্রাসের ‘গোল্ডেন পাসপোর্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশটির নাগরিকত্ব লাভ করেন তিনি। জব্দ করা সম্পত্তিটি সাইপ্রাসের পারেক্লিসিয়া এলাকায় অবস্থিত একটি দুইতলা বাড়ি।

সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয়া নথিতে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন কোম্পানি ও আর্থিক লেনদেন পরিচালনা নিয়ে তদন্ত চলছে। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রতারণামূলক ঋণ গ্রহণ, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থপাচার।

এই সম্পত্তি জব্দের আদেশের একদিন পর এস আলম গ্রুপের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় ৬০ লাখ ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮০ কোটি টাকার বেশি) প্রদানের দায়ে সাইফুল আলম এবং তার ১০জন আত্মীয় ও সহযোগীকে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেন বাংলাদেশের আদালত। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নামে প্রায় ৬ মিলিয়ন ইউরো ঋণ নেওয়া হলেও সেই অর্থে ১৩৪টি বাস কেনা হয়নি।

তদন্তের পরিধি কেবল এই একটি মামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সাইপ্রাস কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো অনুরোধে বলা হয়েছে, সাইফুল আলমের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকসহ একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়েছে, যার একটি বড় অংশ পরে খেলাপি হয়েছে। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন যে, এই ঋণের অর্থ বিভিন্ন দেশের জটিল প্রাতিষ্ঠানিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করা হয়েছে কি না।

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর সম্প্রতি জানিয়েছেন, এই প্রক্রিয়ায় দেশ থেকে প্রায় ৮ বিলিয়ন ইউরোর (৮০০ কোটি ইউরো) বেশি অর্থ পাচার করা হয়েছে। বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের ধারণা, এই পাচার করা অর্থের একটি অংশ সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুর ও অন্যান্য দেশের সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করা হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়