শিরোনাম
◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন ◈ হামে ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৬১০, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর ◈ পাহাড়ি অঞ্চলে সফল আর্লি ওয়ার্নিং মডেল: আগাম সতর্কবার্তায় কমছে প্রাণহানি, ভূমিধস মোকাবিলায় নতুন আশার আলো ◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০৪ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাঁচ বছরে চট্টগ্রাম বন্দরের রেকর্ড সাফল্য, ২০২৫ সালে সর্বোচ্চ রাজস্ব উদ্বৃত্ত

২০২৫ সালে বন্দরটির আয় হয়েছে ৫ হাজার ৪৬০ কোটি ১৮ লাখ টাকা, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর ধারাবাহিকতায় গত পাঁচ বছরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সরকারি কোষাগারে সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার বেশি রাজস্ব জমা দিয়েছে। রাজস্ব আয় ও রাজস্ব প্রবৃদ্ধি—উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব ব্যয়ের গড় প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৭ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ ছাড়া ভ্যাট, ট্যাক্স ও কর-বহির্ভূত রাজস্ব (এনটিআর) হিসেবে গত পাঁচ বছরে বন্দর কর্তৃপক্ষ সরকারের কোষাগারে ৭ হাজার ৫৮০ কোটি ২০ লাখ টাকা জমা দিয়েছে।

গত পাঁচ বছরের আয়–ব্যয়ের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষের রাজস্ব আয় ছিল ৫ হাজার ৪৬০ কোটি ১৮ লাখ টাকা এবং ব্যয় ছিল ২ হাজার ৩১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ফলে ওই বছরে রাজস্ব উদ্বৃত্ত দাঁড়ায় ৩ হাজার ১৪২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা, যা গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৪ সালে বন্দরের রাজস্ব আয় ছিল ৫ হাজার ৭৬ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ব্যয় ছিল ২ হাজার ১৫৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং রাজস্ব উদ্বৃত্ত হয় ২ হাজার ৯২৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা।

তার আগের বছরগুলোর মধ্যে ২০২৩ সালে ২ হাজার ১৪৩ কোটি ১১ লাখ টাকা, ২০২২ সালে ১ হাজার ৭৩৪ কোটি ২০ লাখ টাকা এবং ২০২১ সালে ১ হাজার ৬৩৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা রাজস্ব উদ্বৃত্ত হয়েছিল চট্টগ্রাম বন্দরের।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বন্ধে কঠোর নীতি অনুসরণের ফলে গত দুই বছর রাজস্ব ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি এক অঙ্কে সীমিত রাখা সম্ভব হয়েছে। ২০২৫ সালে আগের বছরের তুলনায় রাজস্ব ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ৬১ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে তা ছিল ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। তবে ২০২৩ সালে ব্যয় প্রবৃদ্ধি ছিল ১০ দশমিক ১৮ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ছিল ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত পাঁচ পঞ্জিকাবর্ষে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সরকারি কোষাগারে ৭ হাজার ৫৮০ কোটি ২০ লাখ টাকা জমা দিয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর হিসেবে ৩ হাজার ৫৫৩ কোটি ৮ লাখ টাকা জমা দিয়েছে। এছাড়া মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) হিসেবে ৩ হাজার ৪২৭ কোটি ১২ লাখ টাকা টাকা, কর-বহির্ভূত আয় (এনটিআর) হিসেবে ৬০০ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

২০২৫ পঞ্জিকাবর্ষে কর, ভ্যাট ও কর–বহির্ভূত আয় হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সরকারের কোষাগারে ১ হাজার ৮০৪ কোটি ৪৭ লাখ টাকা জমা দিয়েছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালে জমা দেওয়া হয় ১ হাজার ৭১১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা, ২০২৩ সালে ১ হাজার ৫১৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, ২০২২ সালে ১ হাজার ৩৫৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা এবং ২০২১ সালে ১ হাজার ১৮৫ কোটি ৪ লাখ টাকা।

২০২১ থেকে ২০২৫— এ পাঁচ পঞ্জিকাবর্ষে চট্টগ্রাম বন্দরের রাজস্ব আয়ে গড়ে ১৩ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। একই সময়ে রাজস্ব উদ্বৃত্তের গড় প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৪২ শতাংশে। বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, সেবার মান অক্ষুণ্ন রেখে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর মাধ্যমেই এ সাফল্য এসেছে। 

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়