শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ১৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০৩:০৬ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাম ও জন্মতারিখ সংশোধন সহজ হলো: নতুন নিয়মে অনলাইনে যেভাবে সংশোধন করবেন

শিক্ষা সনদে নাম, পিতার নাম, মাতার নাম বা জন্মতারিখের ভুল এখন খুবই সাধারণ সমস্যা। তবে চিন্তার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশে সকল শিক্ষাবোর্ড অনলাইনের মাধ্যমে এই ভুলগুলো সংশোধনের আধুনিক ব্যবস্থা চালু করেছে। এবার ঘরে বসেই সহজে ও দ্রুত এই সংশোধন সম্পন্ন করা সম্ভব।

প্রথম করণীয়: এর জন্য প্রথমে নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ভুল সংশোধনের জন্য ফর্ম পূরণ করতে হবে এবং সেখান থেকে EIIN নম্বর এবং পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করতে হবে । এরপর নোটারি পাবলিকের এফিডেভিট করে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। 
 
পদ্ধতি: প্রথমে সংশ্লিষ্ট বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ঢাকা বোর্ডের জন্য dhakaeducationboard.gov.bd, চট্টগ্রাম বোর্ডের জন্য bise-ctg.gov.bd।  এভাবে বিভাগ পরিবর্তন করে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও কুমিল্লা বোর্ডের জন্য সংশ্লিষ্ট বোর্ডের নাম গুগলে সার্চ করে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। ওয়েবসাইটে ঢুকেই ‘অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন’ মেনুতে ক্লিক করতে হবে এবং ‘নাম ও বয়স সংশোধনের আবেদন’ অপশনটি নির্বাচন করতে হবে।

 এরপর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের লগইন তথ্য ব্যবহার করে লগইন করতে হবে। এখানে EIIN নম্বর এবং পাসওয়ার্ড প্রয়োজন, যা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করতে হবে। লগইন করার পর অনলাইন ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফর্মে পরীক্ষার ধরন যেমন JSC, SSC বা HSC, পাশের বছর, রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং সংশোধন করতে চাওয়া তথ্য উল্লেখ করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ হলো, নাম ও জন্মতারিখ একসাথে সংশোধন করা যাবে না; আলাদাভাবে আবেদন করতে হবে।

ফর্ম পূরণের সময় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র স্ক্যান করে পিডিএফ আকারে আপলোড করতে হবে। এতে জন্ম নিবন্ধন সনদ, পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র, পূর্বের শিক্ষাগত সনদ, নোটারি পাবলিকের করা এফিডেভিট এবং পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের পিডিএফ কপি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

সংশোধনের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার প্রক্রিয়াও অনলাইনে সম্পন্ন করা যায়। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন তৈরি করা যায়। সেখান থেকে পত্রিকা নির্বাচন করে সংশোধনের তথ্য প্রদান করতে হবে এবং অনলাইনে পেমেন্ট সম্পন্ন করতে হবে। বিজ্ঞাপন সফলভাবে সাবমিট হলে PDF কপি ইমেইলে প্রাপ্ত হবে।

 সার্টিফিকেট সংশোধনের ফি প্রদান করতে হবে সোনালী স্লিপ সিস্টেমের মাধ্যমে। ফর্ম পূরণের পর “সোনালী স্লিপ” অপশন থেকে পে-স্লিপ ডাউনলোড করে অনলাইনে বা ব্যাংকে অর্থ জমা দিতে হবে।

আবেদন জমা দেওয়ার পর বোর্ড কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট যাচাই করবে। প্রয়োজনে আবেদনকারীকে ভাইভার জন্য কল বা এসএমএস পাঠানো হতে পারে। ভাইবার সময় সকল মূল কপি সঙ্গে রাখতে হবে। সাধারণত দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে সংশোধন কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। তবে বোর্ডভেদে সময় কম-বেশি হতে পারে।

যদি আবেদন গ্রহণযোগ্য হয়, বোর্ড একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করবে, যেখানে পুরনো সার্টিফিকেট জমা দিয়ে নতুন সংশোধিত সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে পারবেন।

বাংলাদেশের শিক্ষাবোর্ডের এই আধুনিক অনলাইন ব্যবস্থা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য সময় ও শ্রম বাঁচাতে অত্যন্ত কার্যকর। ঘরে বসেই অনলাইনে সহজভাবে সার্টিফিকেট সংশোধন করা এখন ততটাই সহজ ও নিরাপদ। 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়