শিরোনাম
◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম

প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৪৫ রাত
আপডেট : ১৩ মে, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চুম্বন দৃশ্যে বাধ্য হয়ে অভিনয়, ওই সিনেমাই আমার জীবন বদলে দিয়েছিল: ফারহা খান

বলিউডের জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার-পরিচালক তথা প্রযোজক ফারাহ খান সংগীতশিল্পী শানের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানেই কথোপকথনের একপর্যায়ে বলেন— এক অভিনেতার সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে একরকম বাধ্য হয়েই রাজি হতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নিজের ব্লগে এ কথা জানিয়েছেন ফারাহ খান।

বিভিন্ন তারকার বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দেন এ পরিচালক। এবার গায়ক শানের বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দিলেন ফারাহ খান। সেখানে গায়কের সঙ্গে ১৯৯২ সালের সিনেমা ‘যো জিতা ওহি সিকান্দার’ নিয়ে আলোচনা করছিলেন ফারহা। সেই সিনেমায় জুনিয়র নৃত্যশিল্পী হিসেবে ছিলেন ফারহা খান। কিন্তু প্রথমে সহপরিচালক হিসেবে সেই ছবিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

ফারহা খান বলেন, আমি আসলে সহপরিচালক হিসেবে যোগ দিই। তারপর দেখা যায়, নৃত্যশিল্পীর অভাব রয়েছে। তখন আমি কোরিওগ্রাফিতে সাহায্য করতে শুরু করি। যখনই কোনো নৃত্যশিল্পী অনুপস্থিত থাকতেন, সেই জায়গায় আমাকে ঠেলে দেওয়া হতো।

এভাবেই অভিনেতা দীপক তিজোরির সঙ্গে একটি চুম্বন দৃশ্যে সম্মত হতে বাধ্য হন ফারহা খান। এ কোরিওগ্রাফার বলেন, একটা দৃশ্য ছিল সিনেমায়, যেখানে দীপক তিজোরি আমার গালে চুমু খাবেন। আসলে ওই দৃশ্যে যে মেয়েটির থাকার কথা ছিল, তিনি রাজি হননি। তাই আমাকে করতে হয়েছিল ওই দৃশ্যটি।

এই শুনে হেসে ওঠেন শান। পারিশ্রমিক নিয়েও আলোচনা হয় তাদের মধ্যে। শান বলেন, সেই সিনেমার জন্য প্রতিদিন ১৫০ টাকা করে পেতেন। অন্যরা পেতেন ৭৫ টাকা করে। এই শুনে চমকে ওঠেন ফারহা খান। তিনি বলেন, আরে! তুমি পারিশ্রমিক পেয়েছিলে? আমি তো কোনো পারিশ্রমিকই পাইনি। কিন্তু ওই সিনেমাটা আমাকে যা যা দিয়েছে, তা কোনো চেক দিতে পারত না। ওই সিনেমাটা আমার জীবন বদলে দিয়েছিল। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়