শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১৪ সকাল
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অপু বিশ্বাসের জন্য কলেজ গেটে অপেক্ষা করতেন শাকিব

ঢালিউডের জনপ্রিয় নায়ক-নাইকা হলেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। ঢালিউডের কিং খান খ্যাত শাকিব খানের স্ত্রী অপু বিশ্বাস এখন নিজ জন্মস্থান বগুড়ায় অবস্থান করছেন। 

বগুড়াতেই তার বেড়ে ওঠা। পড়া লেখা করেছেন বগুড়া মহিলা কলেজে। এখানে তার অনেক স্মৃতি রয়েছে। একসময় এই কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। সাবেক স্বামীর সঙ্গে তৈরি হওয়া সেইসব স্মৃতিও রোমন্থন করেছেন এই অভিনেত্রী।

জীবনের বিশেষ সময়ের স্মৃতির চারণ করে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘কলেজ গেটের সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত অনেক স্মৃতি আছে; যেখানে অনেকে এসে দাঁড়িয়ে থাকতেন, যখন নায়িকা হয়েছি, তখন একজন এসে দাঁড়িয়ে থাকতেন।’

সেই একজনটা কি ঢালিউডের কিং খান খ্যাত শাকিব খান। এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বিশ্বাসের সোজাসাপ্টা জবাব, ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, এই কলেজের সামনে এসে দাঁড়িয়ে থাকতেন। আমাদের কলেজটির বিপরীত পাশে একটা ডিপার্টমেন্টাল স্টোর ছিল। ওটার কর্নারে সে দুই দিন দাঁড়িয়েছিল। ওই জায়গাটি এখন দেখলে কেমন জানি লাগে।’  

এই কলেজের সামনে এলে স্মৃতিগুলো কী মনে পড়ে? জবাবে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘অবশ্যই। ক্যারিয়ারের প্রথম দিকের অনুভূতিগুলো ফিরে আসে।’

অভিনেত্রী আরও বলেন, ‘এই কলেজে আমার অনেক মজার স্মৃতি আছে। আমাদের কলেজের সাথেই আজিজুল হক কলেজ; আমাদেরটা মহিলা কলেজ। আমাদের জন্য বাস ছিল। আমরা যখন অবসর সময় পেতাম, ফ্রি টাইমে বাসে উঠে যেতাম এবং বান্ধবীরা মিলে অনেক মজা করতাম। তখন আমরা অনেক স্বাধীনতা পেয়েছি। আমরা কলেজ ফাঁকি দিয়ে মহাস্থনগড়েও গিয়েছি।’

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়