শিরোনাম
◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২৬, ১০:১৯ দুপুর
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গভীর রাতে খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, বলছে গবেষণা

সুস্থ থাকতে কেবল কী খাচ্ছেন তা নয়, বরং কখন খাচ্ছেন সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক একটি চিকিৎসা সাময়িকীতে প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, গভীর রাতে খাবার বা স্ন্যাকস খাওয়ার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।  অন্যদিকে শরীরের জৈবিক ঘড়ির (Biological Clock) সঙ্গে মিল রেখে খাবারের সময় নির্ধারণ করলে হৃদরোগ ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যের নাটকীয় উন্নতি ঘটে।

গবেষণার পদ্ধতি ও ফলাফল 

৩৬ থেকে ৭৫ বছর বয়সি ৩৯ জন স্থূলতায় আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর টানা সাড়ে সাত সপ্তাহ ধরে এই গবেষণা চালানো হয়। অংশগ্রহণকারীদের দুটি দলে ভাগ করা হয়েছিল। একদলকে রাতে ১৩ থেকে ১৬ ঘণ্টা উপবাস (Fasting) পালন করতে বলা হয় এবং অন্য দল তাদের নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখে।

গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, যারা রাতে দেরি করে খাওয়া বন্ধ করেছিলেন তাদের হৃদস্বাস্থ্যের অভূতপূর্ব উন্নতি হয়েছে। রাতে তাদের রক্তচাপ প্রায় ৩.৫ শতাংশ এবং হৃদস্পন্দনের গতি প্রায় ৫ শতাংশ কমেছে—যা একটি সুস্থ কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমের লক্ষণ।

বিশেষজ্ঞরা জানান, একটি সুস্থ শরীরে দিনের বেলা রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দন বেশি থাকে এবং রাতে তা স্বাভাবিকভাবেই কমে আসে। দেরি করে খাবার খেলে শরীরের এই স্বাভাবিক ছন্দ বা ‘বায়োলজিক্যাল রিদম’ নষ্ট হয়, যা দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগ, টাইপ-২ ডায়াবেটিস এবং নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভারের মতো রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণ 

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, যারা রাতে দেরি করে খাওয়া এড়িয়ে চলেছেন, তাদের অগ্ন্যাশয় (Pancreas) দিনের বেলা ইনসুলিন নিঃসরণে অনেক বেশি কার্যকর ছিল। এর ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখা সহজ হয়েছে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ 

চিকিৎসকদের মতে, কেবল ক্যালরি কমানোর চেয়ে খাবারের সময় নিয়ন্ত্রণ করা অনেক ক্ষেত্রে বেশি ফলদায়ক হতে পারে। বিশেষ করে যারা হৃদরোগ বা ডায়াবেটিসে ভুগছেন, তাদের জন্য গভীর রাতের স্ন্যাকস পরিহার করা এবং একটি নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে খাবার খাওয়া দীর্ঘমেয়াদি সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে পারে। 

সূত্র: সামা টিভি 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়