শিরোনাম
◈ মমতার বিস্ফোরক মন্তব্যেও নীরব দিল্লি, বক্তব্য নেই বিজেপির ◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার

প্রকাশিত : ০৫ মার্চ, ২০২৬, ১২:১৮ রাত
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিলেন ই-হেলথ কার্ড চালুর, রোগীরা কী সুবিধা পাবেন

জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে স্বাস্থ্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।

ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে একজন রোগীর সব ধরনের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে হবে। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

এছাড়াও বৈঠকে বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী (৮০ শতাংশ নারী এবং ২০ শতাংশ পুরুষ) নিয়োগ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শূন্য পদে চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের বিষয়েও আলোচনা হয়। সেই সঙ্গে দুর্গম এলাকার স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসকরা যেন ঠিকমতো যাতায়াত করেন সেজন্য প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে তাগাদা দিয়েছেন বলেও জানিয়েছেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

এদিন বৈঠকে অন্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
ই-হেলথ কার্ডে কী সুবিধা মিলবে

ই-হেলথ হচ্ছে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ডিজিটাইজ করার একটি পদ্ধতি। এর মাধ্যমে প্রতিটি রোগীর জন্য একটি নির্দিষ্ট ই-হেলথ কার্ড থাকবে। যেখানে ওই রোগীর সব ধরনের মেডিকেল রেকর্ড সংরক্ষণ করা হবে।  ফলে পরবর্তীতে যেকোনো হাসপাতালে ওই রোগী চিকিৎসা নিতে গেলে পূর্বের সব রেকর্ড একসঙ্গে দেখতে পারবেন চিকিৎসকরা।

এই কার্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবা বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগণের কাছে সহজে পৌঁছে দেয়া সহজ হবে। ই-হেলথ ব্যবস্থা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পাইলট প্রকল্প হিসেবে একটি জেলায় চালু করা হবে। সেই জেলায় একেবারে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবার যে কম্পোনেন্ট সেখান থেকে শুরু করে রেফারেল নেটওয়ার্ক তৈরি করা এবং ওই জেলার যে জেলা সদর হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ আছে সেই মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত পুরো স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন পর্যায়ের যে অংশগুলো রয়েছে তাকে এই ই-হেলথ পদ্ধতির মাধ্যমে এক জায়গায় নিয়ে আসা হবে।
 
আগামী দিনের পৃথিবীতে বাংলাদেশকে আধুনিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে নিতে গিয়ে এই ডিজিটাল স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ই-হেলথ কার্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়