শিরোনাম
◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ ◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার টি-টোয়েন্টিতে খেল‌বেন রিশাদ হো‌সেন! ◈ ১৩ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মা‌টি‌তে ওয়ান‌ডে জ‌য়ের স্বাদ পে‌লো  শ্রীলঙ্কা ◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফ‌রে যাচ্ছে ◈ লিও‌নেল মে‌সি স্পেনের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার জিতলেন, বা‌র্সেলোনার অভিনন্দন ◈ রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: যুক্তিতর্ক শুনানি আজ ◈ মমতার বিস্ফোরক মন্তব্যেও নীরব দিল্লি, বক্তব্য নেই বিজেপির

প্রকাশিত : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৭:৪১ বিকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কলকাতায় সাইনবোর্ডে বাংলায় নাম লেখা বাধ্যতামূলক, না মানলে ট্রেড লাইসেন্স বাতিলের হুঁশিয়ারি মেয়রের

কলকাতার দোকান, ব্যবসায়িক  প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সংস্থা যদি বাংলায় নাম না ডিসপ্লে করে, তাহলে তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল হতে পারে। এমনই কড়া বার্তা দিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। পুরসভা গত ৩০ আগস্ট একটি নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছিল, ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডে বাংলায় নাম ওপরের অংশে স্পষ্টভাবে থাকতে হবে। অন্যান্য ভাষায় নাম লেখার অনুমতি থাকলেও বাংলা বাধ্যতামূলক। এবার মেয়র জানালেন, যেহেতু ৩০ সেপ্টেম্বর অষ্টমীর দিন, তাই দুর্গাপুজোর সময় কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। তবে উৎসবের পরে আইন কার্যকর করা হবে। সূত্র: আনন্দবাজার

তিনি বলেন, ‘যেসব দোকান ও প্রতিষ্ঠান বাংলায় নাম লেখে না, তাদের ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করব।’

সম্প্রতি ভারতের বিজেপিশাসিত কয়েকটি রাজ্যে বাংলা ভাষাভাষী পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর হামলার ঘটনা রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক তৈরি করেছে। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই তৃণমূল বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষায় সরব হয়। দলীয় অবস্থান অনুসারে পুরসভার তরফেও প্রশাসনে বাংলা ব্যবহারের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। তারই অঙ্গ হিসেবে এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে পুরসভা সূত্রে খবর।

মেয়রের এই বক্তব্যের পর থেকেই শহরের ব্যবসায়ী মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকের মতে, বাংলা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া একেবারেই স্বাভাবিক ও যৌক্তিক পদক্ষেপ। তবে অন্য দিকে, কিছু ব্যবসায়ী মনে করছেন, হঠাৎ করে পুরসভার এই নির্দেশিকা কার্যকর হলে তাদের বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হবে। বিশেষ করে যে সব দোকানের বহু পুরনো সাইনবোর্ড রয়েছে, সেগুলি বদলাতে সময় ও অর্থ দুই-ই লাগবে।

মেয়র ফিরহাদ হেকিম স্পষ্ট করেছেন, যে এই পদক্ষেপ অন্য ভাষাকে অসম্মান করার উদ্দেশ্যে নয়। তার কথায়, ‘বাংলায় কথা বলার মানে এই নয় যে, আমি হিন্দিকে অসম্মান করি। বাংলা ভাষা এই শহরের প্রাণ। তাই সরকারি থেকে বেসরকারি, সর্বত্র বাংলার মর্যাদা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’

তবে পুরসভার একাধিক কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, কলকাতা পৌর আইন সরাসরি সাইনবোর্ডে বাংলা ব্যবহার না করার কারণে ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করার ক্ষমতা দেয় কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একজন অফিসার জানান, আইন অনুযায়ী দোকান মালিকরা কমিশনারের অনুমতি নিয়ে নামবোর্ড বসাতে পারেন এবং এ ক্ষেত্রে কোনও ফি দিতে  দিতে হয় না। কিন্তু অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান এই নিয়ম মানে না। ফলে, বাংলা সাইনবোর্ড না থাকলে অনুমতিই বাতিল করা হবে, যা ব্যবসায়ীদের বাধ্য করবে নির্দেশ মানতে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়