শিরোনাম
◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম

প্রকাশিত : ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১১ রাত
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

থ্যাঙ্কসগিভিংয়ে পরিবারকে চমকে দিতে ফেরার পথে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত ১৯ বছরের কলেজছাত্রী

ইমা এলিস, নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি: থ্যাঙ্কসগিভিংয়ের ছুটিতে পরিবারকে চমকে দিতে বাড়ি ফিরছিলেন ১৯ বছর বয়সী কলেজছাত্রী এনি লুসিয়া লোপেজ বেলোজা। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের হাতে আটক হয়ে শেষ পর্যন্ত নির্বাসিত হন তিনি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন—ট্রাম্প প্রশাসন কেন তার মতো শিক্ষার্থী ও পরিশ্রমী মানুষদের ‘লক্ষ্যবস্তু’ করছে?

২০ নভেম্বর তিনি বোস্টন লোগান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সিবিপি কর্মকর্তাদের হাতে আটক হন। টেক্সাসে পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি।

এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লোপেজ বেলোজা বলেন, “তিনি (ট্রাম্প) কেন এমন মানুষদের ধরছেন যারা দিন-রাত কঠোর পরিশ্রম করছে, কলেজে পড়ে স্বপ্ন পূরণে চেষ্টা করছে? আমার মতো মানুষদের কেন টার্গেট করা হচ্ছে?”

হন্ডুরাস থেকে আগত এবং ব্যাবসন কলেজে অধ্যয়নরত এই ছাত্রী প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাসিত হওয়া প্রায় পাঁচ লাখ অভিবাসীর একজন।

দলিল অনুযায়ী, আদালতের নির্দেশ ছিল তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অপসারণ না করার। কিন্তু আটক হওয়ার মাত্র তিন দিনের মধ্যেই তাকে হন্ডুরাসে ফেরত পাঠানো হয়।

লোপেজ বেলোজা বলেন, “এটা অন্যায় মনে হচ্ছে। যদি আদেশ ছিল, তবে সবকিছু এমন দ্রুত ঘটল কেন?”

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানায়, ২০১৫ সালের পুরনো বহিষ্কার আদেশের কারণেই তাকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

ডিএইচএসের একজন মুখপাত্র জানান, “এই অবৈধ অভিবাসী ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেন এবং ২০১৫ সালে ইমিগ্রেশন জজ তাকে বহিষ্কারের নির্দেশ দেন। এরপর থেকে তিনি অবৈধভাবে অবস্থান করছেন।”

মুখপাত্র আরও বলেন, অবৈধভাবে থাকা ব্যক্তিরা সিবিপি হোম অ্যাপ ব্যবহার করে বিনা খরচে নিজেদের দেশে ফিরতে পারে এবং ১ হাজার ডলার ভাতা পেতে পারে। এরপর বৈধভাবেই যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার সুযোগ থাকবে।
অন্যথায়—প্রতিদিন ১,০০০ ডলার জরিমানা, গ্রেপ্তার এবং ভবিষ্যতে বৈধভাবে ফেরার সুযোগ ছাড়াই সরাসরি বহিষ্কার হতে হবে।

লোপেজ বেলোজা জানান, গ্রেপ্তারের আগে পর্যন্ত তিনি যেন ‘আমেরিকান ড্রিম’-এর মধ্যেই ছিলেন।
“আমার বাবা-মা কঠোর পরিশ্রম করে আমাকে কলেজে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমি আর্থিক সহায়তা পেয়েছিলাম। এমন একটি কলেজে ভর্তি হয়েছিলাম যারা আমাকে চেয়েছিল, আমিও তাদের। আমার এবং আমাদের পরিবারের স্বপ্ন ছিল আমি উচ্চশিক্ষা নেব—ভাবছিলাম, ওয়াও, আমি সত্যিই এটা করতে পারছি,” বলেন তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়