শিরোনাম
◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ

প্রকাশিত : ০৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৪:৩৬ দুপুর
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মালয়েশিয়ায় চিরুনি অভিযানে ২৬ বাংলাদেশিসহ আটক ৭৭

মালয়েশিয়ার নেগারি সেম্বিলান রাজ্যে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। সেরেম্বান ও নিলাই এলাকার ১৩টি ভিন্ন স্থানে পরিচালিত এই অভিযানে ২৬ বাংলাদেশিসহ মোট ৭৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি সাবান কারখানা থেকেই ৫৫ জনকে আটক করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে নেগারি সেম্বিলান অভিবাসন বিভাগের পরিচালক কেনিথ তান আই কিয়াং এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
 
বিবৃতিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং প্রায় এক সপ্তাহের গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। গত মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বুধবার রাত ১টা পর্যন্ত টানা ১৬ ঘণ্টা এই তল্লাশি অভিযান চলে। অভিযান চলাকালে ওই এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় থাকা মোট ৩৯৫ জন বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। প্রাথমিক যাচাই শেষে বৈধ নথিপত্র না থাকায় ৭৭ জনকে আটক করে পুলিশ।
 
আটকদের মধ্যে ৭১ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী রয়েছেন, যাদের বয়স ১৯ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশি ২৬, ভারতীয় ২৬, পাকিস্তানি ১০, থাই ৬, মিয়ানমারের ৫ ও ইন্দোনেশিয়ার ৪ জন নাগরিক। 
  
পরিচালক কেনিথ তান জানান, নিলাইয়ের একটি সাবান কারখানায় অভিযান চালিয়ে সবচেয়ে বড় সাফল্য পায় অভিবাসন বিভাগ। সেখান থেকেই এককভাবে ৫৫ জনকে আটক করা হয়েছে।
 
আটকদের বিরুদ্ধে প্রধানত দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে– বৈধ পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট না থাকা এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে অবস্থান (ওভারস্টে) করা। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৬৬ এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের অধিকতর তদন্তের জন্য লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।
 
অভিযান শেষে বিভাগীয় প্রধান কেনিথ তান স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শুধু অবৈধ অভিবাসীই নয়, যারা তাদের আশ্রয় দিচ্ছে বা কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তাদের কঠোর আইনি দণ্ড ও আদালতের মুখোমুখি হতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়