শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:১২ রাত
আপডেট : ১৩ মে, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এআই লাইফগার্ড: সৈকত নিরাপত্তায় স্মার্ট ক্যামেরা ও সেন্সর বসালো দুবাই

জননিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়াল সংযুক্ত আরব আমিরাতের শহর দুবাইয়ের কর্তৃপক্ষ। সৈকত এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার ও জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে পাবলিক বিচগুলোতে স্মার্ট ক্যামেরা ও সেন্সরভিত্তিক একটি আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

আল-ইত্তিহাদ পত্রিকার প্রতিবেদনের বরাতে গালফ নিউজ জানায়, এই স্মার্ট সেফটি সিস্টেমে উন্নতমানের ক্যামেরা ও সেন্সরের একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করা হচ্ছে, যা এআই-চালিত ডেটা অ্যানালিটিক্স প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সংযুক্ত। এই প্রযুক্তি সাঁতারুদের চলাচল পর্যবেক্ষণ, ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ শনাক্ত এবং কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বিপদের লক্ষণ চিহ্নিত করতে সক্ষম।

সিস্টেমটি রিয়েল টাইমে সমুদ্র ও সৈকতের পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে অস্বাভাবিক কোনো কার্যকলাপ বা সম্ভাব্য ঝুঁকি দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে লাইফগার্ড ও তদারকি কর্মকর্তাদের সতর্কবার্তা পাঠায়। তবে এই প্রযুক্তি লাইফগার্ডদের বিকল্প নয়, বরং তাদের সহায়তা করতেই ব্যবহার করা হচ্ছে।

রিয়েল টাইম ডেটার মাধ্যমে উদ্ধারকারী দলগুলো সহজেই উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা শনাক্ত করতে পারছে—যেমন, সাঁতারের নির্দিষ্ট এলাকায় অস্বাভাবিক ভিড়। পাশাপাশি আবহাওয়া ও সমুদ্রের অবস্থা সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হচ্ছে। প্রযুক্তি ও মানব তত্ত্বাবধানের এই সমন্বয়ে উদ্ধার কার্যক্রমের প্রতিক্রিয়া সময় কমেছে এবং হস্তক্ষেপের কার্যকারিতা বেড়েছে।

এ ছাড়া সৈকতের বিভিন্ন স্থানে ডিজিটাল সচেতনতামূলক বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে দর্শনার্থীরা সমুদ্রের বর্তমান অবস্থা, নিরাপত্তা নির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক তথ্য জানতে পারছেন। এর মাধ্যমে আগেই ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সব সৈকত কার্যক্রম কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে সংযুক্ত, যেখানে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালানো হয়। সংগৃহীত অপারেশনাল ডেটা বিশ্লেষণ করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা উন্নত করা, পুনরাবৃত্ত ঝুঁকির ধরণ চিহ্নিত করা এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে সৈকত ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানো হচ্ছে। সূত্র: গালফ নিউজ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়