শিরোনাম
◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৫৫ সকাল
আপডেট : ১৯ মে, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হতাহত ও নিখোঁজ ১৮ লাখ সেনা: সিএসআইএস

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের গত প্রায় চার বছরে নিহত, আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন দুই দেশের ১৮ লাখের বেশি সেনা। মার্কিন থিঙ্কট্যাংক সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে এ তথ্য।

সিএসআইসের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের সেনবাহিনীর তুলনায় রুশ বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেশি। যে ১৮ লক্ষাধিক সেনা নিহত, আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন— তাদের মধ্যে ১২ লাখই রুশ বাহিনীর। এই ১২ লাখ রুশ সেনার মধ্যে নিহত হয়েছেন তিন লাখ ২৫ হাজারের কিছু বেশি। বাকিদের বেশিরভাগই আহত হয়েছেন। এছাড়া নিখোঁজ আছেন বেশ কয়েক হাজার সেনা।

রুশ বাহিনীর এই ক্ষতি সম্পর্কে সিএসআইএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনো বৃহৎ শক্তির সেনাবাহিনী বিশ্বের কোথাও, কোনো যুদ্ধে এত বেশি হতাহত এবং ক্ষতির শিকার হয়নি।

ক্ষতি অবশ্য ইউক্রেনেরও কম হয়নি। গত চার বছরের যুদ্ধে ইউক্রেনের ছয় লাখেরও সেনা হতাহত এবং নিখোঁজ হয়েছেন। সিআইএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ইউক্রেনীয় বাহিনীর এক লাখ থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার সেনা নিহত হয়েছেন।

সিএসআইসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত প্রায় ৪ বছরের যুদ্ধে রাশিয়া এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর ১৮ লক্ষাধিক সেনা নিহত-আহত এবং নিখোঁজ হয়েছেন। যদি এ যুদ্ধ চলতে থাকে, তাহলে ২০২৬ সালের বসন্তকাল পর্যন্ত এই সংখ্যা পৌঁছাবে প্রায় ২০ লাখে।

ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা না করা এবং ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কিয়েভের তদবিরের জেরে কয়েক বছর ধরে টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশে শুরু হওয়া সেই অভিযান এখনো চলছে।

সূত্র : এএফপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়