শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৮ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এনআইএ হেফাজতে প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম ও সহযোগী আলমগীর হোসেন

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। রোববার বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক ভারতৈ তাদেরকে জেরা করার অনুমতি দিয়েছিল।

তবে সোমবার এনআইএ বিধাননগর মহকুমা আদালতে ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করে। এই আবেদনের শুনানির সময় দুই অভিযুক্তকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়েছিল। বিচারক এনআইএ-র আবেদন মঞ্জুর করেন। ট্রানজিট রিমান্ডে ফয়সাল করিম ও আলমগীর হোসেনকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ারও অনুমতি দিয়েছেন বিচারক।

আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, এবার হেফাজতে নেয়া দুই অভিযুক্তকে দিল্লিতে এনআইএ-র আদালতে হাজির করবে। এরপরই নতুন করে দুই জনকে জেরা করা হবে। তবে এনআইএ ভারতে গ্রেপ্তার তৃতীয় বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করেনি বলে সরকারি আইনজীবীদের সূত্রে জানা গেছে।

রোববার বিচারক ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ১২ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত দিয়েছিলেন। তবে রোববার আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ফায়সাল হাদি হত্যা যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ফয়সাল আরও দাবি করেন, সে হাদিকে খুন করেনি। এরপর সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন সিসিটিভি ফুটেজে তাকেই দেখা গেছে বলে জানানো হলে হাদি খুনে অন্যতম অভিযুক্ত বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়নি যে, আমি গুলি করেছি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না।’

তবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফের দেয়া বিবৃতি অনুযায়ী, গত ৭ মার্চ মধ্যরাতে ফয়সাল এবং আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তারের পর জেরায় তারা হাদি হত্যার সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছিল।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি সেখানে মারা যান।

এরপর পুলিশি তদন্তে ফয়সাল করিমের নাম উঠে আসে। গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযোগপত্রে যাদের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হন। আর প্রধান দুই আসামি ফয়সাল ও আলমগীর এবং তাদের পালাতে সহায়তায় অভিযুক্ত ফিলিপ সাংমা ভারতে গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজত রয়েছে।

সূত্র: মানবজমিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়