শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৪৯ বিকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্ত্রীর বিরুদ্ধে স্বামীর ৮০টি মামলা, ১০ বছরের আইনি লড়াই শেষে বিচ্ছেদ

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট সম্প্রতি ১০ বছরের এক দীর্ঘ ও তিক্ত বৈবাহিক বিবাদ শেষ করতে বিশেষ ক্ষমতা ব্যবহার করে সরাসরি বিবাহবিচ্ছেদের আদেশ দিয়েছেন। আদালত এই বিবাদকে ‘মহাভারতের’ লড়াইয়ের সঙ্গে তুলনা করেছেন। দুই সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে এবং সব ঝামেলার স্থায়ী অবসানে সংবিধানের ১৪২ নম্বর ধারা প্রয়োগ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, আদালতের নির্দেশে স্বামীকে এক বছরের মধ্যে ৫ কোটি টাকা এককালীন খোরপোশ হিসেবে স্ত্রীকে দিতে হবে। বর্তমানে স্ত্রী তাঁর দুই কন্যাসন্তানের দেখাশোনা করছেন। বড় সন্তান দশম শ্রেণিতে ওঠার পর স্ত্রী তাঁর ক্যারিয়ার ছেড়ে সন্তানের পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার পরিকল্পনা করায় আদালত এই বড় অঙ্কের আর্থিক সহায়তার নির্দেশ দেন। অন্যদিকে ৫ কোটি টাকা পাওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে স্ত্রীকে তাঁর সাবেক শ্বশুরের ফ্ল্যাটটি খালি করে দিতে হবে।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালে তাঁদের বিয়ে হয় এবং ২০১৬ সাল থেকে তাঁরা আলাদা থাকছেন। স্ত্রী অভিযোগ করেন, তাঁর স্বামী একজন আইনজীবী হয়েও নিজের আইনি জ্ঞান ব্যবহার করে স্ত্রী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে ৮০টির বেশি মামলা করেছেন।

আদালত পর্যবেক্ষণে বলেন, স্বামী অত্যন্ত প্রতিহিংসাপরায়ণ এবং তিনি নিজের সম্পদ লুকিয়ে আর্থিক দায়িত্ব এড়ানোর চেষ্টা করেছেন। অন্যদিকে স্বামী দাবি করেছিলেন, স্ত্রীর করা মামলার কারণে তাঁকে জেলেও যেতে হয়েছে, যা তাঁর সম্মানহানি করেছে।

চূড়ান্ত রায়ে আদালত বলেন, এই বৈবাহিক সম্পর্ক কার্যত মৃত। তাই শান্তি ফেরাতে দুই পক্ষের মধ্যে থাকা সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্ত্রী-সন্তানদের জিম্মা পেলেও স্বামী-সন্তানদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাবেন। একই সঙ্গে স্বামী ভবিষ্যতে স্ত্রী বা তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা করতে পারবেন না বলেও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়