শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই

প্রকাশিত : ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৬ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জেন-জিরা ডেটিংয়ের জন্য কেন কবরস্থান বেছে নিচ্ছে

ডেটিং মানেই একসময় ছিল কফিশপ, নরম আলো, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আর দীর্ঘ আলাপ। কিন্তু সময় বদলেছে, বদলেছে প্রেমের ভাষাও। এই বাস্তবতায় হঠাৎ করেই নতুন এক ট্রেন্ড নজর কাড়ছে, ডেটিংয়ের জন্য কবরস্থানকে বেছে নিচ্ছে জেন-জিরা। শুনতে অদ্ভুত লাগলেও এর পেছনে রয়েছে বেশ কিছু বাস্তব ও মনস্তাত্ত্বিক কারণ। সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এই এমনটাই জানিয়েছে ইন্ডিয়া টাইমস।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, রেস্তোরাঁ, ক্যাফে বা পার্ক; সব জায়গাই এখন ভিড়ে ঠাসা, শব্দে ভরা এবং অনেক সময় অস্বস্তিকর নজরে পরিপূর্ণ। সেখানে নিজেকে স্বাভাবিক রাখা বা খোলামেলা কথা বলা কঠিন হয়ে পড়ে। অন্যদিকে কবরস্থান দেয় একেবারে ভিন্ন অভিজ্ঞতা। এখানে নেই কোনো হৈচৈ, নেই কারও নজরদারি, নেই নিজেকে প্রমাণ করার চাপ। আছে শুধু দু’জন মানুষ আর এক ধরনের শান্ত পরিবেশ, যা স্বাভাবিকভাবেই গভীর ও সৎ কথোপকথনের সুযোগ করে দেয়।

কেন এই ‘ভাইব’ কাজ করে?

ইতিহাস, নীরবতা আর মৃত্যুর স্মৃতি; এই তিনের সংমিশ্রণে তৈরি হয় এক অদ্ভুত স্থিরতা। এই পরিবেশে সাধারণ ‘ছোটখাটো’ কথাবার্তা যেন জায়গা পায় না। বরং মানুষ স্বাভাবিকভাবেই জীবনের গভীর বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে শুরু করে। অনেকে হয়তো মনে করতে পারেন কাপুর এবং সন্স-এর সেই দৃশ্য, যেখানে আলিয়া বাট এবং সিদ্ধার্থ কবরস্থানে সময় কাটান; ঠিক তেমনই এক আবহের কথা বলছেন অনেকে।

এর সঙ্গে যোগ হয় নান্দনিকতা, পুরোনো পাথরের সমাধি, গাছপালার ছায়া, আর এক ধরনের নীরব বিষণ্নতা; সব মিলিয়ে জায়গাটি হয়ে ওঠে একেবারে সিনেমাটিক। যেন কোনো চেষ্টাই ছাড়াই তৈরি হয় ‘মেইন ক্যারেক্টার’ অনুভূতি।

প্রাইভেসিই এখন বিলাসিতা

বর্তমান সময়ে তরুণদের জন্য একান্ত সময় পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। জনাকীর্ণ জায়গা, অনাকাঙ্ক্ষিত নজর কিংবা সামাজিক বিচার; সব মিলিয়ে ব্যক্তিগত মুহূর্তগুলোও হয়ে যায় অস্বস্তিকর। এই জায়গায় কবরস্থান এক অদ্ভুত ভারসাম্য তৈরি করে। এটি সবার জন্য খোলা, কিন্তু খুব কম মানুষই সেখানে যায়। ফলে এটি হয়ে উঠছে এমন একটি জায়গা, যেখানে যুগলরা নির্ভারভাবে নিজেদের মতো সময় কাটাতে পারেন।

রোমান্স, তবে একটু ভিন্নভাবে

এই ট্রেন্ড শুধু ডেটিংয়ের জায়গা বদলানো নয়, বরং ঘনিষ্ঠতার সংজ্ঞাও নতুন করে ভাবার একটি প্রয়াস। জীবন, মৃত্যু আর অস্তিত্ব নিয়ে কথা বলার মাধ্যমে সম্পর্ক আরও গভীর ও বাস্তব হয়ে ওঠে।

শুনতে কিছুটা অদ্ভুত, এমনকি খানিকটা ভৌতিকও লাগতে পারে। কিন্তু হয়তো সেটাই আসল বিষয়। এক পৃথিবীতে যেখানে চারপাশে শুধু শব্দ আর ব্যস্ততা, সেখানে নীরবতাকে বেছে নেওয়াটাই সবচেয়ে সাহসী সিদ্ধান্ত।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়