শিরোনাম
◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:৪৯ রাত
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিরিয়ানি ও তরমুজ খাওয়া হলো কাল, প্রাণ গেল একই পরিবারের ৪ জনের!

ভারতের মুম্বাইয়ে বিরিয়ানি আর তরমুজ খাওয়ার পর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে একই পরিবারের চার সদস্যের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, মারাত্মক ‘ফুড পয়জনিং’ বা খাদ্য বিষক্রিয়াই এই মর্মান্তিক ঘটনার কারণ। 

মৃতরা হলেন ৪০ বছর বয়সি ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ আব্দুল কাদার, তার স্ত্রী নাসরিন (৩৫) এবং তাদের দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নাব (১৩)।

ঘটনার সূত্রপাত গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে। আবদুল্লাহ তার পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের নিয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিরিয়ানি ভোজ করেন। এরপর পাইধোনি এলাকায় নিজেদের বাড়িতে ফিরে রাত ১টার দিকে তারা সবাই তরমুজ খান। ভোরের দিকে পরিবারের সবার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে এবং শুরু হয় প্রচণ্ড বমি ও ডায়রিয়া। 

প্রথমে স্থানীয় একজন চিকিৎসক তাদের চিকিৎসা দিলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত জেজে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

হাসপাতালে নেওয়ার পর রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ছোট মেয়ে জয়নাব মারা যায়। এরপর পর্যায়ক্রমে মা নাসরিন ও বড় মেয়ে আয়েশার মৃত্যু হয়। সবশেষে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাবা আবদুল্লাহও মারা যান। স্থানীয় চিকিৎসক ড. জিয়াদ কোরেশি জানান, হাসপাতালে নেওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা ভীষণ ক্লান্ত ছিলেন এবং তাদের শরীর থেকে পানি বের হয়ে গিয়েছিল।

পুলিশ এই ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু’ হিসেবে নথিবদ্ধ করেছে। তারা ওই বাড়ি থেকে অর্ধেক খেয়ে রাখা তরমুজের টুকরোটি পরীক্ষার জন্য সংগ্রহ করেছে। 

এছাড়া মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে মৃতদেহগুলোর ময়নাতদন্ত করা হয়েছে এবং টিস্যু ও ভিসেরা রিপোর্ট আসার অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা। তরমুজে কোনো বিষাক্ত পদার্থ বা রাসায়নিক মেশানো ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে মুম্বাইয়ের ফরেনসিক বিভাগ ও খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ)। শোচনীয় এই মৃত্যু সংবাদে পুরো মুম্বাইয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্র: এনডিটিভি।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়