পিতা-মাতা যেকোনো সন্তানের জন্য শ্রেষ্ঠ সম্পদ। তাদের মৃত্যু সন্তানের হৃদয়ে অপূরণীয় ক্ষত সৃষ্টি করে। কেউ সেই ক্ষত সাময়িক ভুলে থাকতে পারেন। কেউ পারেন না। যারা না পারেন, তাদের কেউ কেউ অস্বাভাবিক পথ বেছে নেন। তেমনই একজন কর্ণাটকের প্রকৌশলী মঞ্জু প্রসাদ (৩৩)। তিনি মায়ের শোক প্রায় এক বছর বুকে নিয়ে ঘুরছিলেন। মানসিকভাবে একেবারে ভেঙে পড়েছিলেন মঞ্জু। অবশেষে সোমবার কর্ণাটকের টুমকুরু জেলার দেবরায়ানাদুর্গা পাহাড়চূড়া থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
টুমকুরুর সত্যমঙ্গল এলাকার বাসিন্দা মঞ্জু এবং পাভাগাদা জনপথ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি স্ত্রী ও ১০ দিন বয়সী নবজাতক সন্তানের পিতা। পুলিশ জানিয়েছে, মঞ্জু সকালে বাড়ি থেকে বের হন এবং স্ত্রীকে জানান তিনি অফিসে যাচ্ছেন। কিন্তু তিনি আসলে পাভাগাদায় না গিয়ে করোটাগেরে এলাকায় এক আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে যান, যা দেবরায়ানাদুর্গার কাছাকাছি।
সেখানে তিনি ওই আত্মীয়কে বলেন, একটি জরুরি বৈঠকে যাচ্ছেন। বের হওয়ার আগে তিনি তার মোবাইল ফোন ও বাড়ির চাবি ওই আত্মীয়ের কাছে রেখে যান। এই আচরণে সন্দেহ হলে আত্মীয়টি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরিবার তাকে দেবরায়ানাদুর্গায় গিয়ে খোঁজ নিতে বলে। কিন্তু ততক্ষণে তিনি পাহাড়চূড়া থেকে ঝাঁপ দেন।
পুলিশ জানায়, তার মৃতদেহ প্রায় ২০০ ফুট নিচে পাওয়া যায়। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করছে।