শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ১৩ মে, ২০২৬, ০২:৩২ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দর্জির মেয়ে গড়লেন এমবিবিএসে ইতিহাস 

দরিদ্র দর্জি বাবা কাঁপা হাতে মেয়ের গলায় একের পর এক ১৭টি স্বর্ণপদক পরিয়ে আনন্দাশ্রুতে সিক্ত হলেন।

অভাবের সাথে আজন্ম লড়াই করা এই দর্জির মেয়ে কান্দিল মুর্তজা শুধু ডাক্তারই হননি, মেধার সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করে পাকিস্তানের খাইবার গার্লস মেডিকেল কলেজের ইতিহাসে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছেন।

সমাবর্তন মঞ্চে যখন একের পর এক স্বর্ণপদক কান্দিলের গলায় উঠছিল, তখন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পুরো মিলনায়তন; এ যেন কেবল এক শিক্ষার্থীর সাফল্য নয়, বরং এক অদম্য পিতার আজীবন সংগ্রামের শ্রেষ্ঠ স্বীকৃতি।
 
পাকিস্তান টুডের প্রতিবেদন মতে, হরিপুরের কৃতী শিক্ষার্থী কান্দিল মুর্তজা খাইবার গার্লস মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী এমবিবিএস প্রোগ্রামে রেকর্ডসংখ্যক ১৭টি স্বর্ণপদক জিতে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। পেশোয়ারে অনুষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানের ২০২৬ সালের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তার এই অনন্য সাধারণ একাডেমিক কৃতিত্বের জন্য তিনি ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
 
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, সোহেল আফ্রিদি কান্দিলের হাতে পদকগুলো তুলে দিচ্ছেন, আর পাশে গর্বিত পিতা পরম মমতায় দাঁড়িয়ে আছেন।
কলেজের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কোনো শিক্ষার্থীর অর্জিত এটিই সর্বোচ্চ সংখ্যক স্বর্ণপদক। অনুষ্ঠানে অন্যান্য মেধাবী শিক্ষার্থীদেরও সম্মানিত করা হয়, যাদের মধ্যে মুকাদ্দাস ১০টি এবং সাবিহ ৭টি স্বর্ণপদক লাভ করেন।
 
গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে কান্দিলের বাবা তাদের পরিবারের শিক্ষাগত সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, কান্দিলের এক বোন বর্তমানে খাইবার মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত।
 
অন্য এক বোন ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিতে (এফআইএ) গ্রেড-১৭ অফিসার হিসেবে কর্মরত। তৃতীয় কন্যা পিএইচডি শেষ করে বর্তমানে ইসলামাবাদে কর্মরত আছেন। তাঁদের একমাত্র ছেলেও একজন গ্র্যাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার।

কান্দিলের এই অভাবনীয় সাফল্য অনলাইন জগতে প্রশংসার জোয়ার সৃষ্টি করেছে। অনেকেই তার একাগ্রতা, মেধা ও শিক্ষায় তার পরিবারের ত্যাগ ও সংগ্রামের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। 
 
সূত্র: পাকিস্তান টুডে

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়