শিরোনাম
◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৫ মে, ২০২৬, ০৯:২৬ সকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৬৭ পয়সা কেজি দরে বিক্রি: ক্ষোভে নিজের চাষ করা সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে দিলেন যুবক

চাকরি ছেড়ে কৃষিতে ফিরেছিলেন ইঞ্জিনিয়ার যুবক। স্বপ্ন ছিল নিজের জমিতে ফসল ফলিয়ে ভাগ্য বদলাবেন। কিন্তু সেই ফসলের দাম জুটলো কেজিতে মাত্র ৬৭ পয়সা। শ্রমের দামটুকুও না পেয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের চাষ করা সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে ধ্বংস করেছেন ভারতের মহারাষ্ট্রের সোলাপুরের এক কৃষক। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এ খবর জানিয়েছে।

সোলাপুরের মোহল তহসিলের বেগমপুর গ্রামের বাসিন্দা লাখান মানে ২০১৬ সালে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেন। বাবা-মায়ের পাশে দাঁড়াতে বেছে নিয়েছিলেন চাষাবাদ। এবার দুই একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন তিনি। সোলাপুরের স্থানীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে মাত্র ৫০ পয়সা দেখে একটু বেশি দামের আশায় ২০০ কিলোমিটার দূরে কোলহাপুর কৃষি পণ্য বিপণন কমিটিতে (এপিএমসি) গিয়েছিলেন লাখান।

লাখান জানান, গত ৮ মে তিনি ১০০ বস্তা পেঁয়াজ নিয়ে কোলহাপুরে যান। কিন্তু সেখান থেকে মোট ৩ হাজার ৭০০ টাকা হাতে পান তিনি। অর্থাৎ প্রতি কেজির দাম দাঁড়ায় মাত্র ৬৭ পয়সা। লাখান ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘সোলাপুর বাজারে দাম কম দেখে অনেক আশা নিয়ে কোলহাপুর গিয়েছিলাম। কিন্তু সেখান থেকে ফিরে হতাশ হয়ে নিজের জমির বাকি সব পেঁয়াজ পুড়িয়ে দিয়েছি।’

লাখানের মতো একই দশা বার্শির আরেক কৃষকের। তিনি ২৭০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে কোলহাপুরে এসে প্রতি কেজিতে মাত্র ১ রুপি দাম পেয়েছেন। কোলহাপুর এপিএমসির পেঁয়াজ বিভাগের প্রধান মনোজ সালুঙ্খে জানান, ওই কৃষকের পেঁয়াজ নিম্নমানের ছিল। বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ায় কোনও ব্যবসায়ী তা কিনতে চাইছিলেন না। শেষ পর্যন্ত কৃষক অনুরোধ করায় কেজি প্রতি ১ রুপি দরে কেনা হয়েছে, যা মূলত আবর্জনার ঝুড়িতেই যাবে।

মনোজ সালুঙ্খে বলেন, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের পেঁয়াজের দামও কেজি প্রতি ১২-১৩ রুপির ওপরে উঠছে না। যুদ্ধ ও অন্যান্য কারণে রফতানিতে বিধিনিষেধ থাকায় বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ অনেক বেড়ে গেছে। সাধারণত বছরের এই সময়ে কেরালাসহ দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে ব্যাপক চাহিদা থাকে, কিন্তু এবার ব্যবসায়ীরা কোনও অর্ডার দিচ্ছেন না।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়