শিরোনাম
◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৭ মে, ২০২৬, ০৮:১০ সকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জুলাই থেকে নবম–দশম শ্রেণিতে ৩টি ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করছে সিবিএসই

ভারতের প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের স্কুলপড়ুয়াদের জন্য এখন থেকে ৩টি করে ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য এই যুগান্তকারী নিয়ম কার্যকর করতে চলেছে সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই)।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মূলত মোদী সরকারের ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০’ অনুযায়ী এই শিক্ষানীতি কার্যকরের চূড়ান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত শুক্রবার (১৫ মে) একটি আনুষ্ঠানিক নির্দেশিকা জারি করে বোর্ড জানিয়েছে, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য আগামী ১ জুলাই থেকেই এই নতুন নিয়ম পুরোপুরি চালু হয়ে যাবে। অর্থাৎ, এখন থেকে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠ্যক্রমে তিনটি ভাষাই বাধ্যতামূলকভাবে পড়তে হবে।

জাতীয় শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে আরও বেশি ওয়াকিবহাল করা। এই উদ্দেশ্যে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাতৃভাষার পাশাপাশি আরও দুটি ভাষা বেছে নেওয়ার কথা আগেই বলা হয়েছিল। নতুন এই শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে ইতিমধ্যেই ৯টি প্রধান ভারতীয় ভাষায় পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৩টি ভাষার এই নতুন পাঠ্যক্রমকে তিনটি বিভাগে ভাগ করা হয়েছে— আর-১ (R-1), আর-২ (R-2) এবং আর-৩ (R-3)। এর মধ্যে আর-১ এবং আর-২ বিভাগে দুটি ভিন্ন ভারতীয় দেশীয় ভাষা পড়ানো হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা বাংলা, তামিল, তেলুগু, মালয়ালম, কন্নড় কিংবা গুজরাতির মতো সমৃদ্ধ ভাষাগুলো বেছে নিতে পারবে। অন্যদিকে, আর-৩ বিভাগে অন্য যেকোনো একটি বিদেশি ভাষা পড়ার সুযোগ মিলবে।

সিবিএসইর নতুন এই নির্দেশিকায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষার্থীরা যদি প্রথম দুটি বিভাগে দুটি নিজস্ব দেশীয় ভাষা পড়ে, তবে তারা আর-৩ বিভাগে ইংরেজির পাশাপাশি আরও একটি বিদেশি ভাষা পড়ার সুযোগ পাবে; যা তাদের পাঠ্যক্রমে ‘চতুর্থ ভাষা’ হিসেবে গণ্য হবে। তবে এই শিক্ষানীতির সবচেয়ে আলোচিত দিকটি হলো এর শ্রেণিবিন্যাস। নতুন এই নিয়মে ইংরেজিকে কোনো ভারতীয় বা আঞ্চলিক ভাষার ক্যাটাগরিতে না রেখে, সরাসরি ‘বিদেশি ভাষা’র বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপের ফলে একদিকে যেমন ভারতীয় শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক ভাষা ও বৈশ্বিক যোগাযোগের দক্ষতা বাড়বে, অন্যদিকে ভারতের নিজস্ব আঞ্চলিক ভাষাগুলোর চর্চাও প্রাতিষ্ঠানিক স্তরে অনেক শক্তিশালী হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়