শিরোনাম
◈ মমতার বিস্ফোরক মন্তব্যেও নীরব দিল্লি, বক্তব্য নেই বিজেপির ◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার

প্রকাশিত : ২৮ মে, ২০২৬, ০৬:৫২ বিকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৮৮ দিন পর আংশিক ইন্টারনেট চালু করল ইরান

৮৮ দিন পর আবারও আংশিকভাবে ইন্টারনেট সংযোগ চালু করেছে ইরান। তবে এখনও বন্ধ রয়েছে ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রামসহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

ইন্টারনেট পর্যবেক্ষণ সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে ধীরে ধীরে মোবাইল নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য সংযোগ বৈশ্বিক ইন্টারনেট ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে শুরু করেছে। বর্তমানে দেশটির ইন্টারনেট সংযোগ সক্ষমতা প্রায় ৮৬ শতাংশে পৌঁছেছে। তবে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারে এখনও নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

গত সোমবার প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ সাইবারস্পেস ব্যবস্থাপনা কমিটি ইন্টারনেট চালুর পক্ষে ভোট দেয়। ওই বৈঠকে ৯ জন সদস্য ইন্টারনেট পুনঃসংযোগের পক্ষে মত দেন, বিপক্ষে ছিলেন ২ জন।

তবে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রশাসনিক আদালত সাময়িকভাবে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন স্থগিত করেছে। ফলে ইন্টারনেট পুরোপুরি চালুর ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

আইসিটি মন্ত্রী সাত্তার হাশেমি বলেন, বৈঠকে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য ইন্টারনেট পুনরায় চালুর পক্ষে মত দিয়েছেন। এরই মধ্যে দেশজুড়ে ব্রডব্যান্ড সংযোগ চালুর কাজ শুরু হয়েছে।

এর আগে, ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তে জানুয়ারিতে দেশটিতে প্রায় সম্পূর্ণ ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট জারি করা হয়। তখন সরকার দাবি করেছিল, যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।

ফার্স নিউজ প্রথমে সরকারের এমন সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তাদের দাবি ছিল, যেহেতু নিষেধাজ্ঞা জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ দিয়েছিল, তাই তা প্রত্যাহারের ক্ষমতাও কেবল সেই সংস্থারই রয়েছে।

তবে পরে অবস্থান কিছুটা নরম করে ফার্স নিউজ জানায়, প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তাজনিত কারণেই ইন্টারনেট খুলে দেয়া সময়ের ব্যাপার ছিল।

এদিকে, ইন্টারনেট চালুর বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের প্রধান পেইমান জেবেলি এবং সুপ্রিম কাউন্সিল অব সাইবারস্পেসের সচিব মোহাম্মদ-আমিন আগামিরি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফারাজ জানিয়েছে, বৈঠকের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তারা বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগ পুনরায় চালুর বিপক্ষে অবস্থান নেন।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান এর আগেই ইন্টারনেট পুনরায় চালু করাকে নিজের অগ্রাধিকারগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়