শিরোনাম
◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর ◈ ৩০০ দিনে ১৭ দেশ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে ৩ ভক্ত সাইক্লিস্ট  ◈ হাদি ইস্যুতে মমতার মন্তব্য; যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০২৬, ০৪:০২ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গ্রিন কার্ড আবেদনকারীদের জন্য স্বস্তি, ‘দেশে ফিরতে হবে’ অবস্থান থেকে সরে এলো যুক্তরাষ্ট্র

গ্রিন কার্ড বা স্থায়ী আবাসন আবেদনকারীদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস)। সাম্প্রতিক একটি অভিবাসন নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া উদ্বেগ দূর করতে সংস্থাটি জানিয়েছে, স্থায়ী আবাসনের আবেদন পর্যালোনাধীন থাকা অবস্থায় অধিকাংশ আবেদনকারীকেই যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যেতে হবে না।

গত সপ্তাহে ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস) এর একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, ‘অস্বাভাবিক’ পরিস্থিতি ছাড়া স্থায়ী আবাসনপ্রত্যাশীদের আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। এই বার্তার পর অভিবাসী, নিয়োগকর্তা এবং অভিবাসন আইনজীবীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডিএইচএস জানিয়েছে যে নীতিমালায় বড় ধরনের কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। বিভাগটি উল্লেখ করেছে, কোনও আবেদনকারীকে গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে যেতে হবে কি না তা মামলাভেদে নির্ধারণ করার দীর্ঘদিনের স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা অভিবাসন কর্মকর্তাদের রয়েছে।

সাম্প্রতিক এই ব্যাখ্যাকে গত সপ্তাহের ঘোষণার তুলনায় অনেকটাই নমনীয় অবস্থান হিসেবে দেখা হচ্ছে। উল্লেখ্য বর্তমান ব্যবস্থার অধীনে যোগ্য অভিবাসীরা ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস’ নামক একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থায়ী রেসিডেন্সির জন্য আবেদন করতে পারেন, যা তাদের আবেদন প্রক্রিয়া চলাকালীন যুক্তরাষ্ট্রে থাকার অনুমতি দেয়। সাধারণত কোনও নিয়োগকর্তা বা ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্য এই আবেদনকারীদের স্পন্সর করে থাকেন।

এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় যখন ইউএসসিআইএস-এর মুখপাত্র জ্যাক চালার জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন কঠোরকরণ অভিযানের অংশ হিসেবে স্থায়ী আবাসনপ্রত্যাশীদের অনুমোদন প্রক্রিয়া চলাকালীন তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে। ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে চালার বলেন, এখন থেকে কোনও বিদেশি নাগরিক যিনি সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন এবং গ্রিন কার্ড চান, তাকে ব্যতিক্রমী বা অস্বাভাবিক পরিস্থিতি ছাড়া আবেদনের জন্য অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে।

চালারের এই বক্তব্য অভিবাসী সম্প্রদায় এবং বিদেশি কর্মীদের ওপর নির্ভরশীল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগের জন্ম দেয়। ২০২৪ সালে প্রায় ১৪ লাখ গ্রিন কার্ড ইস্যু করা হয়েছিল, যার একটি বড় অংশ দেওয়া হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের ভেতর থেকে করা ‘অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস’ আবেদনের মাধ্যমে। গত সপ্তাহের নির্দেশনাটি সেই দীর্ঘদিনের চর্চাকেই চ্যালেঞ্জ করেছিল।

তবে ডিএইচএস জানিয়েছে, বিদ্যমান নীতির মূল কাঠামো অপরিবর্তিত রয়েছে। এক মুখপাত্র নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বলেন, একজন আবেদনকারীকে দেশের বাইরে থেকে স্থায়ী রেসিডেন্সির প্রক্রিয়া চালাতে হবে কি না, তা অভিবাসন কর্মকর্তারা নির্ধারণ করবেন যা আগের নিয়মেও বিদ্যমান ছিল। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়