শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:৫৮ রাত
আপডেট : ২৩ মে, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোরআনে বর্ণিত নূহ (আ.) এর নৌকা খুঁজে পাওয়ার দাবি! (ভিডিও)

তুরস্কের আরারাত পর্বতের কাছে সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে নৌকার মতো এক বিশাল কাঠামো। ধারণা করা হচ্ছে, এটিই হতে পারে হজরত নূহ (আ.)-এর সেই ঐতিহাসিক নৌকা—যার মাধ্যমে মহান আল্লাহ বিশ্বাসীদেরকে মহাপ্লাবণ থেকে রক্ষা করেছিলেন।

হজরত নূহ (আ.) ইসলামী ইতিহাসে একজন গুরুত্বপূর্ণ নবী। ধারণা করা হয়, প্রায় ৫৫০০ বছর আগে তিনি পৃথিবীতে আগমন করেন এবং টানা ৯৫০ বছর মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করেন। কিন্তু তাঁর অনুসারী হয় হাতে গোনা কিছু মানুষ, এমনকি তাঁর নিজের সন্তানও অবিশ্বাসীদের দলে ছিল।

পরবর্তীতে মহান আল্লাহ অবিশ্বাসীদের ওপর নেমে আনেন ভয়াবহ এক মহাপ্লাবণ, যা টানা ৪০ দিন স্থায়ী ছিল। আল্লাহর নির্দেশেই নূহ (আ.) তৈরি করেন এক বিশাল নৌকা, যাতে জোড়ায় জোড়ায় সব প্রাণী এবং ঈমানদারদের তোলা হয়। পানি নেমে যাওয়ার পর সেই নৌকাটি থামে এক পর্বতের চূড়ায়—যা কোরআনে ‘জুদি’ পর্বত নামে পরিচিত।

১৯৫৯ সালে তুর্কি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ইলহান দুরপিনার একটি বিমান অভিযানের সময় আরারাত পর্বতের দক্ষিণে অদ্ভুত আকৃতির এক বস্তু দেখতে পান। সেটির ছবি নিয়ে গবেষণা শুরু হলে, অনেকে ধারণা করেন এটাই সেই নূহ (আ.)-এর নৌকার ফসিল।

এই বস্তুটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৫০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত, যা জাহাজের অবস্থানের জন্য অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তাই বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে নানা গবেষণা শুরু করেন। পাশাপাশি খ্রিস্টান ও মুসলিম বিশ্বে শুরু হয় চাঞ্চল্য।

১৯৯৭ সালে বিজ্ঞানীরা কৃষ্ণসাগরের তীরে মিঠা পানির প্রাণীর জীবাশ্ম খুঁজে পান। এতে ধারণা করা হয়, হয়তো একসময় কৃষ্ণসাগর ছিল মিঠা পানির লেক, যা হঠাৎ করে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে প্লাবিত হয়।

এছাড়াও ১৯৮৫ সালে আবিষ্কৃত হয় ৪০০০ বছর আগের একটি মাটির ফলক, যাতে লেখা ছিল মহাকাব্য গিলগামেশ। এতে বলা হয়, উটনাপিশটিম নামের এক ব্যক্তি একটি বিশাল নৌকা তৈরি করে প্রাণীদের জোড়ায় জোড়ায় তুলে প্লাবণ থেকে বাঁচান। এই কাহিনী কোরআনে বর্ণিত নূহ (আ.)-এর কাহিনীর সঙ্গে অদ্ভুত রকম মিল খুঁজে পায় গবেষকরা।

যদিও এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি যে তুরস্কে পাওয়া কাঠামোটিই নূহ (আ.)-এর নৌকা, তবে বিষয়টি নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, মানব ইতিহাসের এই অন্যতম রহস্য হয়তো অদূর ভবিষ্যতেই উদঘাটিত হতে যাচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়