শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৬, ০১:১৯ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তাড়াহুড়ার স্বভাব ও মানুষের বদ-দোয়া : কোরআনের সতর্কবার্তা

কোরআনুল কারিমের অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ১১

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ

পরম করুণাময়, অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে  

وَ یَدۡعُ الۡاِنۡسَانُ بِالشَّرِّ دُعَآءَهٗ بِالۡخَیۡرِ ؕ وَ كَانَ الۡاِنۡسَانُ عَجُوۡلًا ﴿۱۱﴾

সরল অনুবাদ

(১১) মানুষ যেভাবে কল্যাণ কামনা করে, সেভাবেই অকল্যাণ কামনা করে; মানুষ তো প্রকৃতিগতভাবে খুব বেশি তাড়াহুড়াকারী।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

সুরা বনি ইসরাঈলের এই আয়াতে মানুষের অহেতুক বদ-দোয়া করা, সর্বত্র তাড়াহুড়ো করার স্বভাব তুলে ধরা হয়েছে। মানুষ কিভাবে অকল্যাণ কামনা করে তার উদাহরণ হিসেবে বলা  যায়, মানুষ যখন নিজের কোনো কাজের ওপর রাগ হয় বা সন্তান-সন্ততির ওপর বিরক্ত হয় তখন তাদের জন্য বদ-দোয়া করতে থাকে। বলতে থাকে, আমার ধ্বংস হোক, আমার পরিবার নাশ হোক ইত্যাদি।

এ জাতীয় দোয়া করলেও তার মন কিন্তু সে দোয়া কবুল হওয়া চায় না। আবার যখন নিজে খুব ভালো অবস্থায় থাকে, বা সন্তান-সন্ততির ওপর খুশি হয়ে যায় তখন বড় বড় নেক দোয়া করতে থাকে। সে তখন এটা কবুল হওয়া মন-প্রাণ থেকেই চায়। (আদওয়াউল বায়ান)

কিন্তু আল্লাহ তার রহমতের কারণে মানুষের নেক-দোয়াগুলোকে কবুল করে থাকেন আর বদ-দোয়ার জন্য সময় দেন।

মানুষের এ তাড়াহুড়াকারী চরিত্রের কারণে যদি তিনি তাদের শাস্তি দিতেন তবে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হতো। তাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে তার নিজের ও সন্তান সন্ততির ওপর বদ-দোয়া করতে নিষেধ করেছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের নিজের এবং তোমাদের সন্তান-সন্ততি ও তোমাদের কর্মচারীদের ওপর বদ-দোয় করো না।  অনুরূপভাবে তোমাদের সম্পদ নাশের জন্যও বদ-দোয়া করো না।

কারণ এমন হতে পারে যে, আল্লাহর দোয়া কবুলের সময় তোমাদের এ বদ-দোয়াগুলো সংঘটিত হয়ে যাবে আর তা কবুল হয়ে যাবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ১৫৩২)

অন্য এক হাদিসে আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ কষ্ট ও যাতনায় পড়ে কখনো মৃত্যু কামনা করবে না। আর যদি তাকে মৃত্যু কামনা করতেই হয়, তবে সে যেন বলে, ‘আয় আল্লাহ! যতদিন বেঁচে থাকাটা আমার জন্য মঙ্গলজনক হয় ততদিন আমাকে জীবিত রাখেন এবং যখন মৃত্যু আমার জন্য উত্তম হয়, তখন আমার মৃত্যু দেন।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৩৫১)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়