শিরোনাম
◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ ◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার টি-টোয়েন্টিতে খেল‌বেন রিশাদ হো‌সেন! ◈ ১৩ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মা‌টি‌তে ওয়ান‌ডে জ‌য়ের স্বাদ পে‌লো  শ্রীলঙ্কা ◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফ‌রে যাচ্ছে

প্রকাশিত : ০৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৪৬ সকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইয়াকুব (আ.) কেন হজরত ইউসুফ (আ.)-কে বেশি ভালোবাসতেন?

হজরত ইয়াকুব (আ.)-এর ১২জন সন্তানের একজন ছিলেন হজরত ইউসুফ (আ.)। ইউসুফ (আ.)-এর ১২ ভাইয়ের মধ্যে ১০জন ছিলেন অন্য মায়ের এবং তিনি ও তার ভাই বিন ইয়ামিন ছিলেন এক মায়ের। শৈশবেই মা হারানোর কারণে ইউসুফকে কিছুটা বেশি স্নেহ করতেন হজরত ইয়াকুব (আ.)।

এ বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিতে পারেননি ইউসুফ (আ.)-এর অন্য ভাইয়েরা। তারা ক্রমেই ইউসুফ (আ.)-এর প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে উঠেন। তারা ক্রমেই ইউসুফ (আ.)-এর প্রতি ঈর্ষাপরায়ণ হয়ে ওঠে।

ভাইয়েরা পরামর্শ করে ইয়াকুব (আ.)-এর কাছে খেলার কথা বলে ইউসুফ আলাইহিস সালামকে দূরে নিয়ে গেল এবং সেখাকে তাকে কূপে ফেলে দিল। 

ছেলে ইউসুফকে হারিয়ে একেবারেই হতোদ্যম হয়ে পড়েন ইয়াকুব (আ.)। দীর্ঘ সময় তিনি ছেলের জন্য শোক প্রকাশ করেন। ফলে তার দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে যায়। হজরত ইয়াকুব (আ.) নবী ছিলেন, নবীদের জন্য সন্তান ও ঘর সংসারের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করা শোভনীয় নয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা সন্তান-সন্তুতিকে ’ফিতনা’ আখ্যা দিয়ে বলেছেন, তোমাদের ধনসম্পদ ও সন্তান-সন্ততি ফিতনা ও পরীক্ষা। কিন্তু এরপরও নবী ইয়াকুব (আ.) তার সন্তান ইউসুফকে ভালোবাসতেন কীভাবে?

কাযী সানাউল্লাহ পানিপথী (রহ.) তাফসীরে মাযহারীতে এ প্রশ্ন উল্লেখ করে হজরত মুজাদ্দিদে আলফেসানীর এক বিশেষ বক্তব্য উদ্ধৃত করেছেন। এর সারমর্ম হলো

অবশ্যই সংসার ও সংসারের উপকরণাদির প্রতি ভালোবাসা নিন্দনীয়। কোরআন ও হাদীসের অসংখ্য বর্ণনা এর পক্ষে সাক্ষ্য দেয়। কিন্তু সংসারের যেসব বস্তু আখিরাতের সাথে সম্পর্কযুক্ত, সেগুলোর প্রতি ভালোবাসা ও মহব্বত প্রকৃতপক্ষে আখিরাতেরই মহব্বত।

ইউসুফ (আ)-এর গুণ-গরিমা শুধু দৈহিক রূপ-সৌন্দর্যের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না বরং পয়গম্বরসুলভ পবিত্রতা ও চারিত্রিক সৌন্দর্যও এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ সমষ্টির কারণে তার প্রতি নবী ইয়াকুব (আ.)-এর ভালোবাসা ও মহব্বত সংসারের মহব্বত ছিল না বরং প্রকৃতপক্ষে আখিরাতের প্রতিই ছিল এই মহব্বত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়