শিরোনাম
◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার

প্রকাশিত : ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ০৭:৩৬ বিকাল
আপডেট : ২৪ মে, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পড়াশোনার পাশাপাশি বাড়তি আয়ের ৮টি কার্যকরী ব্যবসায়িক ধারণা

ছাত্রজীবনকে এখন শুধু বই-পড়া বা ক্লাস-পরীক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয় না। শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতা, উদ্যোক্তা দক্ষতা ও অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ তৈরি করছেন। বিশেষ করে ডিজিটাল মাধ্যম, ই-কমার্স ও সেবা ভিত্তিক ব্যবসার বিস্তারে ছাত্রজীবনেই নানা ধরনের ছোট ব্যবসা শুরু করা অনেক সহজ হয়েছে।

১. অনলাইন রিসেলিং বা ছোট ই-কমার্স ব্যবসা:

ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামে ছোট একটি পেজ খুলে পোশাক, কসমেটিকস, বই, গ্যাজেট বা হ্যান্ডমেড পণ্য বিক্রি করা যায়। ড্রপশিপিং মডেল হলে পণ্য নিজের কাছে রাখার প্রয়োজন হয় না। সঠিক মার্কেটিং ও গ্রাহক সেবা দিয়ে নিয়মিত আয় সম্ভব।

২. টিউশন বা ছোট টিউশন সেন্টার:

এক বা দুইজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে ছোট টিউশন সেন্টার বা কোচিং ক্লাস চালিয়ে আয়ের পাশাপাশি নিজের বিষয় দক্ষতা বৃদ্ধি করা যায়।

৩. গ্রাফিক ডিজাইন ও ডিজিটাল সার্ভিস:

গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, মোশন গ্রাফিক্স বা সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট শেখে Fiverr, Upwork বা স্থানীয় ক্লায়েন্টদের কাছে কাজ পাওয়া সম্ভব। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছোট স্টুডিও খুলেও ডিজাইন-প্রিন্টিং সার্ভিস চালানো যায়।

৪. কন্টেন্ট ক্রিয়েশন ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবসা:

ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পেজ বা টিকটকে তথ্যবহুল বা বিনোদনধর্মী কন্টেন্ট তৈরি করে স্পনসরশিপ, অ্যাড রেভিনিউ ও প্রোডাক্ট প্রমোশনের মাধ্যমে আয় করা যায়।

৫. ফুড-বেইজড মাইক্রো বিজনেস:

কেক, বেকারি আইটেম বা হোস্টেল-মেসে খাবারের চাহিদা থাকে। ছোট কিচেন সেটআপ, ভালো প্যাকেজিং ও অনলাইন ডেলিভারি দিয়ে শুরু করা সম্ভব।

৬. ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও ফটোগ্রাফি:

সেমিনার, ক্লাব ফেস্ট, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আয় করা যায়। সঙ্গে ফটোগ্রাফি ও ভিডিও কভারেজ যুক্ত করলে ব্যবসা আরও লাভজনক হয়।

৭. অ্যাপ-ভিত্তিক বা ক্যাম্পাস সার্ভিস:

স্টেশনারি, প্রিন্টিং, লজিস্টিক, নোট সরবরাহ বা মেস-খাবার ডেলিভারি সেবা দিয়ে ক্যাম্পাসে ভালো আয় করা যায়।

৮. লেখালেখি, অনুবাদ ও একাডেমিক সার্ভিস:

ব্লগ রাইটিং, নিউজ রাইটিং, অনুবাদ, এসাইনমেন্ট গাইডলাইন, থিসিস প্রুফরিডিং বা ডেটা এন্ট্রি সার্ভিস দিয়ে ফ্রিল্যান্স কাজ করা যায়।

ছাত্রজীবনে ব্যবসা শুরু করার সুবিধা হলো ঝুঁকি কম, শেখার সুযোগ বেশি, আর উদ্যোক্তা মানসিকতা তৈরি হয় দ্রুত। সৃজনশীলতা, সময় ব্যবস্থাপনা ও দক্ষতা থাকলেই ছাত্রজীবনেই সফল ব্যবসা শুরু করা সম্ভব।

সূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়