শিরোনাম
◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৮:৩৮ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নবজাতকের সংক্রমণ: যে সূক্ষ্ম লক্ষণগুলো দ্রুত বুঝে নেওয়া জরুরি

জন্মের পরের প্রথম কয়েক সপ্তাহ প্রতিটি শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নবজাতকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তখনও বিকশিত হয়, তাই তাদের ক্ষেত্রে বড় শিশুদের তুলনায় সংক্রমণ অনেক দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে প্রাথমিক লক্ষণগুলো সূক্ষ্ম থাকে এবং সহজে বুঝতে পারা যায় না। সেপসিস এবং নিউমোনিয়ার মতো গুরুতর অবস্থা নবজাতকের অসুস্থতার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে বাবা-মায়েরা আগেভাগেই লক্ষণগুলো বুঝতে পারলে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা সহজ হয়।

নবজাতকের সংক্রমণ বড় শিশুদের সংক্রমণের চেয়ে আলাদা। জীবনের প্রথম ২৮ দিনে শিশুদের মধ্যে উচ্চ জ্বর বা তীব্র কাশির মতো সাধারণ লক্ষণ দেখা নাও যেতে পারে। এর বদলে তাদের খাবার খাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাস এবং শরীরের তাপমাত্রায় পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। এই পরিবর্তনগুলো অস্পষ্ট মনে হতে পারে, তবে এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সংক্রমণের ইঙ্গিত দেয়।

নবজাতকের সংক্রমণ কীভাবে সনাক্ত করবেন?

প্রাথমিক সতর্কতা লক্ষণের মধ্যে একটি হলো খাওয়া বা আচরণে পরিবর্তন। যদি আপনার নবজাতক খুব বেশি ঘুমিয়ে থাকে, কয়েকবার দুধ খাওয়ার পরে ক্লান্ত হয়ে পড়ে, অথবা হঠাৎ স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কম খায়, তাহলে এটি অন্তর্নিহিত সংক্রমণের ইঙ্গিত দিতে পারে।

শিশুর সংক্রমণের অন্যান্য লক্ষণ

যে শিশু আগে সক্রিয় ছিল কিন্তু হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে শান্ত, অস্থির অথবা কম প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে পড়ে তারও চিকিৎসার প্রয়োজন।

ক্রমাগত উচ্চ শব্দে কান্না যা শান্ত করা যায় না তা আরেকটি উদ্বেগজনক লক্ষণ।

নবজাতকদের ক্ষেত্রে খেতে না চাওয়া বা আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন জ্বরের মতোই গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

শরীরের তাপমাত্রা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। 38°C (100.4°F) বা তার বেশি জ্বরকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত।

তবে, 36°C (96.8°F) এর নিচে কম তাপমাত্রাও একই রকম উদ্বেগজনক হতে পারে। শরীরের তাপমাত্রা কম হলে শিশুকে স্পর্শে ঠান্ডা মনে হবে, বিশেষ করে হাত ও পায়ে। নবজাতকের উচ্চ এবং নিম্ন উভয় তাপমাত্রারই দ্রুত চিকিৎসা, এমনকী অন্য কোনো লক্ষণ না থাকলেও।

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়