শিরোনাম
◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে

প্রকাশিত : ৩১ মার্চ, ২০২৬, ০৮:১৮ সকাল
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পানিতে ডুবে গেলে যেভাবে উদ্ধার ও প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হবে

গরম পড়লেই অনেকেই স্বস্তির খোঁজে পানিভর্তি পুকুর, নদী, লেক বা সমুদ্রে নামেন। মুহূর্তের মধ্যে ঠান্ডা পানিতে আরাম মিললেও, এসব জায়গা কখনও কখনও বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

আমরা অনেকেই মনে করি, সাঁতার জানলেই নিরাপদ—কিন্তু বাস্তবে ডুবে যাওয়ার ঘটনা খুব দ্রুত ঘটে এবং অনেক সময় তা চোখেও পড়ে না। তাই সচেতন থাকা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি।

খোলা পানিতে নামার আগে কিছু বিষয় মনে রাখা দরকার। ঠান্ডা পানি ও স্রোত অনেক সময় অভিজ্ঞ সাঁতারুকেও বিপদে ফেলতে পারে, তাই যেখানে ‘নিরাপদ নয়’ বলা আছে, সেখানে নামা উচিত নয়।

গরম আবহাওয়াতেও পানির তাপমাত্রা কম থাকতে পারে, যা হাইপোথার্মিয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

সবসময় পাড়ের কাছাকাছি থাকা ভালো, যেন প্রয়োজনে দ্রুত উঠে আসা যায়।

কখনো একা সাঁতার কাটা ঠিক নয়, আর শিশুদের ক্ষেত্রে অবশ্যই নজরদারি রাখতে হবে। লাইফগার্ড থাকা জায়গায় নামা সবচেয়ে নিরাপদ।

যদি কারও ডুবে যাওয়ার ঘটনা চোখে পড়ে, তাহলে দ্রুত কিন্তু সতর্কভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। প্রথমে তাকে পানি থেকে তুলে শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে কি না তা পরীক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে অন্য কাউকে জরুরি সাহায্যের জন্য ফোন করতে বলা উচিত। এরপর পাঁচবার রেসকিউ ব্রিদ দিতে হবে—মুখে মুখ লাগিয়ে বাতাস দিতে হবে এবং নাক চেপে ধরতে হবে। সিপিআরও খুব গুরুত্বপূর্ণ—বুকের মাঝখানে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় দুইবার করে জোরে চাপ দিতে হবে।

যদি ব্যক্তি সাড়া দেয়, শ্বাস নিতে শুরু করে বা চোখ খোলে, তাহলে তাকে গরম রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। আর যদি সাড়া না মেলে, তাহলে সাহায্য আসা পর্যন্ত শ্বাস দেওয়া ও সিপিআর চালিয়ে যেতে হবে।

পানি যেমন প্রশান্তি দেয়, তেমনি বিপদের কারণও হতে পারে। তাই আনন্দের মুহূর্ত যেন দুর্ঘটনায় না বদলে যায়, সেজন্য প্রয়োজন সতর্কতা ও প্রস্তুতি। মনে রাখতে হবে, সামান্য সচেতনতা ও সঠিক সময়ে নেওয়া পদক্ষেপ একটি জীবন বাঁচাতে পারে।

সূত্র: ব্রিটিশ রেডক্রস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়