শিরোনাম
◈ মমতার বিস্ফোরক মন্তব্যেও নীরব দিল্লি, বক্তব্য নেই বিজেপির ◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার

প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২৬, ০৮:২৬ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রচণ্ড গরমে যেসব রোগের ঝুঁকি বাড়ে

জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে অনেক দেশে তাপমাত্রা আগের তুলনায় বেড়ে গেছে, ফলে গ্রীষ্মকাল এখন আরও বেশি গরম ও কষ্টকর হয়ে উঠছে। আমাদের দেশেও অতিরিক্ত তাপ, বেশি আর্দ্রতা ও দূষণের কারণে শিশু, বয়স্ক ও দীর্ঘমেয়াদী রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।

নিচে গ্রীষ্মকালে সচেতন থাকার মতো কিছু রোগ তুলে ধরা হলো—

হিট স্ট্রোক

এটি তাপজনিত সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থা। এতে শরীরের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে উঠে যায় এবং শরীর নিজে থেকে ঠান্ডা হতে পারে না। লক্ষণ হিসেবে শুষ্ক ও গরম ত্বক, বিভ্রান্তি, দ্রুত হার্টবিট এবং অজ্ঞান হয়ে যাওয়া দেখা যায়। বাইরে কাজ করা মানুষ, শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে থাকে।

পানিশূন্যতা

গরমে অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে পানি ও লবণ কমে যায়, ফলে পানিশূন্যতা হয়। এর লক্ষণ হলো বেশি তৃষ্ণা, গাঢ় রঙের প্রস্রাব, মাথা ঘোরা ও দুর্বলতা। গুরুতর হলে কিডনি সমস্যা ও রক্তচাপ কমে যেতে পারে।

ডায়রিয়া

গরমে খাবার ও পানি সহজে দূষিত হওয়ায় ডায়রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এতে বারবার পাতলা পায়খানা হয় এবং দ্রুত শরীর থেকে তরল কমে গিয়ে পানিশূন্যতা দেখা দেয়, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।

কলেরা

দূষিত পানি পান করার কারণে কলেরা হয়, যা দ্রুত তীব্র ডায়রিয়ার রূপ নিতে পারে। এতে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে এবং দ্রুত চিকিৎসা না নিলে জীবনঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

টাইফয়েড

দূষিত খাবার ও পানি থেকে টাইফয়েড সংক্রমণ হয়। এতে দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ জ্বর, মাথাব্যথা, পেটব্যথা ও দুর্বলতা থাকে। চিকিৎসা না করলে অন্ত্রে গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে।

জন্ডিস (হেপাটাইটিস এ)

এই ভাইরাসজনিত রোগটি দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে ছড়ায় এবং যকৃতকে আক্রান্ত করে। লক্ষণ হিসেবে চোখ ও ত্বক হলুদ হওয়া, গাঢ় প্রস্রাব, বমি বমি ভাব ও অতিরিক্ত ক্লান্তি দেখা যায়।

ডেঙ্গু

বর্ষাকালে বেশি হলেও গ্রীষ্মের শেষদিকে জমে থাকা পানিতে মশা জন্মানোর কারণে ডেঙ্গুর ঝুঁকি বাড়ে। এতে উচ্চ জ্বর, শরীর ও গাঁটে ব্যথা, ফুসকুড়ি এবং প্লাটিলেট কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

পর্যাপ্ত পানি পান করা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা, নিরাপদ ও ভালোভাবে রান্না করা খাবার খাওয়া, বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করা এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষা নেওয়ার মাধ্যমে এসব রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো যায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়