শিরোনাম
◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ

প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:১৭ দুপুর
আপডেট : ০২ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরকারের চাঞ্চল্যকর সিদ্ধান্ত এসএ খতিয়ান বাতিল, মালিকানা পুনঃনির্ধারণ হবে যেভাবে (ভিডিও)

বাংলাদেশে ভূমি রেকর্ড প্রকাশ মানেই যেন নতুন করে বিতর্ক ও মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত। প্রকৃত মালিকদের অনেক সময় রেকর্ডে নাম না আসা এবং অন্যের নামে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় ভূমি মালিকদের আজীবন ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে এসএ (সার্ভে অ্যাটেস্টেড) রেকর্ডে। সিএস (ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে) রেকর্ডকে তুলনামূলকভাবে নির্ভুল ধরা হলেও এসএ রেকর্ডে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। এমনকি প্রকৃত মালিকের সব কাগজপত্র ও দলিল থাকা সত্ত্বেও রেকর্ডে তার নাম বাদ দিয়ে অন্যের নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, অতীতে এনালগ পদ্ধতিতে রেকর্ড কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় ব্যাপক ভুল ও কারচুপি হয়েছে। এজন্য রেকর্ড সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তি এবং মালিকানা সংশোধনের জন্য ইতোমধ্যে আদালতকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, এক থেকে দুই বছরের মধ্যে এসব মামলা নিষ্পত্তি করে মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা দূর করা।

ভূমি বিশেষজ্ঞদের মতে, তিনটি বড় কারণে এসএ রেকর্ড বাতিল বা অবৈধ হিসেবে ধরা হচ্ছে
১. রেকর্ডধারীর নাম সিএস রেকর্ডের প্রকৃত মালিক বা তার উত্তরাধিকারীর সঙ্গে কোনো সম্পর্ক না থাকা।
২. জমি ক্রয় বা উত্তরাধিকার সূত্রে মালিকানা প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও রেকর্ডে নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়া।
৩. উত্তরাধিকারীদের বঞ্চিত করে অতিরিক্ত জমি নিজের নামে রেকর্ড করে নেওয়া।

তাদের মতে, এসব ক্ষেত্রে সহজেই আদালতে মামলা করে প্রকৃত মালিকানা পুনরুদ্ধার সম্ভব।

তবে এসএ রেকর্ড নিয়ে বিতর্ক থাকলেও, যাদের মালিকানার কাগজপত্র সঠিক ও ধারাবাহিকতা বজায় আছে তাদের এসএ রেকর্ড বহাল থাকবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যথাযথ প্রমাণপত্র ও দলিলপত্র থাকলে এসএ রেকর্ড এখনো বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমি রেকর্ড হিসেবেই গণ্য হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়