শিরোনাম
◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ ◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার টি-টোয়েন্টিতে খেল‌বেন রিশাদ হো‌সেন! ◈ ১৩ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মা‌টি‌তে ওয়ান‌ডে জ‌য়ের স্বাদ পে‌লো  শ্রীলঙ্কা ◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফ‌রে যাচ্ছে

প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৯:১৭ সকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশের ভূমি মালিকদের জন্য খাজনা প্রদানে নতুন নিয়ম: শতক প্রতি খাজনা নির্ধারণ ও অনলাইন ব্যবস্থা চালু

২০২৫ সাল থেকে বাংলাদেশের ভূমি মালিকদের জন্য খাজনা দেওয়ার পদ্ধতি নতুনভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন সিস্টেম অনুযায়ী প্রত্যেক শতক জমির জন্য নির্ধারিত খাজনার হার অনুযায়ী পরিশোধ করতে হবে। শুধু তাই নয়, শহর এবং গ্রামের জমির জন্য পৃথক শ্রেণী তৈরি করা হয়েছে, যা অনুযায়ী খাজনা দিতে হবে।

নতুন পদ্ধতির মূল বৈশিষ্ট্য:

•গ্রামের আবাসিক জমিতে সম্পূর্ণ পাকা বাড়ি থাকলে শতক প্রতি ৬ টাকা খাজনা।

•গ্রামাঞ্চলের বাণিজ্যিক জমিতে শতক প্রতি ৬–১০ টাকা খাজনা।

•শহরের বাণিজ্যিক জমিতে ৩০–৫০ টাকা খাজনা, নির্দিষ্ট জেলাভেদে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে।

•কৃষি জমি (যেমন ২৫ বিঘা বা তার কম) থাকলে প্রতি বছর মৌকুফ দাখিলা নেওয়ার শর্তে খাজনা প্রদানের প্রয়োজন নেই।

•বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত চাষ, খামার বা চা-বাগান থাকলে শতকপ্রতি দুই টাকা হারে খাজনা দিতে হবে।

বকেয়া খাজনার নিয়ম:

যদি পূর্ব বছরের খাজনা পরিশোধ না করা হয়, তবে পরবর্তী বছর চক্রবৃদ্ধি সুদসহ (প্রায় ১১%) সেই খাজনা দিতে হবে। অনিয়মিত খাজনা প্রদানের কারণে জমি সরকারিভাবে খাস করা হতে পারে।

অনলাইনে খাজনা প্রদানের সুবিধা:

•land.gov.bd, idtax.gov.bd বা ldtax.gov.bd-এ প্রবেশ করে হোল্ডিং তথ্য যাচাই করা যাবে।

•অনলাইনে খাজনা পরিশোধের পরে সরকারি দাখিলা ডাউনলোড করা যাবে, যা জমি রেজিস্ট্রেশন বা অন্য সরকারি কার্যক্রমে ব্যবহারযোগ্য।

•বিকাশ, নগদ, রকেটসহ বাংলাদেশের সকল অনলাইন ব্যাংকিং সিস্টেমের মাধ্যমে খাজনা পরিশোধ সম্ভব।

ভূমি মালিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রত্যেক বছরের খাজনা সময়মতো পরিশোধ করলে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা এড়ানো সম্ভব। নতুন সিস্টেমের মাধ্যমে শহর ও গ্রামে খাজনা প্রদান সহজ এবং স্বচ্ছ হয়ে উঠেছে।

উপসংহার:

নতুন শতকপ্রতি খাজনার হার এবং অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে ভূমি মালিকরা সহজে খাজনা প্রদান করতে পারবে এবং জমি সংক্রান্ত সকল রেকর্ড সর্বদা আপডেট রাখতে পারবে।

সূত্রঃ জনকণ্ঠ,

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়