শিরোনাম
◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান

প্রকাশিত : ২৫ নভেম্বর, ২০২৫, ০৬:৪৮ বিকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলা তুলে নিয়েছে সোনালী ব্যাংক

‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎‎ড্যান্ডি ডায়িংয়ের বিরুদ্ধে সোনালী ব্যাংকের ৪৫ কোটি টাকার ঋণখেলাপির অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। 

মামলা দায়েরকৃত প্রতিষ্ঠান সোনানী ব্যাংকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১১ নভেম্বর ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর বিচারক সাদেকিন হাবিব বাপ্পি মামলাটি প্রত্যাহার আবেদন মঞ্জুর করেন।

সোনালী ব্যাংকের প্যানেল আইনজীবী জাহাঙ্গীর হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ড্যান্ডি ডায়িং ব্যাংকের টাকা পরিশোধ করে দেয়ায় আমরা সোনালী ব্যাংকের পক্ষে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করি। আদালত প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন।

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী মোস্তাক আহম্মেদ কয়েল বলেন, সোনালী ব্যাংকের পক্ষে তাদের আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন করেন। আদালত মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন মঞ্জুর করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৩ সালের ২ অক্টোবর ঢাকার প্রথম অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করেন সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম। ৪৫ কোটি ৫৯ লাখ ৩৭ হাজার ২৯৫ টাকা ঋণখেলাপির অভিযোগে এ মামলা করা হয়।

মামলায় বিবাদী হিসেবে থাকা আরাফাত রহমান কোকা মারা যাওয়ায় ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্ব মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে ২০১৫ সালের ৮ মার্চ আদালতে পক্ষভুক্তের আবেদন করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসান আরা হ্যাপী এ মামলায় তাদের বিবাদী করেন।

২০১৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ১৬ বিবাদির বিরুদ্ধে ইস্যু গঠন করেন আদালত।

মামলার বিবাদীরা হলেন-ড্যান্ডি ডায়িং লিমিটেড, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান, প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী বেগম নাসরিন আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান। উৎস: চ্যানেল২৪

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়