শিরোনাম
◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ ◈ ন‌ভেম্ব‌রে ঢাকায় পুরুষ‌দের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবল, থাক‌বে‌ ভিআরএস প্রযু‌ক্তি  ◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক

প্রকাশিত : ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৫২ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পরবর্তী সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। বাংলাদেশ কংগ্রেসের পক্ষে দলটির মহাসচিব আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলাম হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় গতকাল বুধবার রিটটি করেন। সূত্র: প্রথম আলো

বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি রাজিউদ্দিন আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে রিটের ওপর শুনানি হতে পারে বলে ইয়ারুল ইসলাম জানিয়েছেন।

ইতিমধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষণা করেছে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ নিয়ে গণভোট হবে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন গত শনিবার বলেছেন, ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। এখন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পরবর্তী সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট আবেদন হলো।

রিট আবেদনকারী বলছেন, নির্বাহী বিভাগের ব্যক্তি দিয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ও নির্বাচন পরিচালনা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিচার বিভাগের মতো স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনেরও নিজস্ব জনবল থাকতে হবে। সংবিধান অনুসারে নির্বাচন পরিচালনা করবে নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাহী বিভাগ নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। কিন্তু সংবিধান লঙ্ঘন করে প্রতিটি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাহী বিভাগকে দেওয়া হয়। নির্বাহী বিভাগ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে সরকারের চাহিদা অনুসারে নির্বাচন পরিচালনা করে। ফলে নির্বাচন নিয়ে নানামুখী বিতর্ক তৈরি হয়।

রিটের প্রার্থনায় দেখা যায়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পরিবর্তে জেলা প্রশাসকদের রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের পরিবর্তে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ কেন আইনগত কর্তৃত্ব–বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, এ বিষয়ে রুল চাওয়া হয়েছে। নিজস্ব পদোন্নতি পদ্ধতির মাধ্যমে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের থেকে ইসি সচিব নিয়োগের পরিবর্তে নির্বাহী বিভাগ থেকে ইসি সচিব নিয়োগ কেন আইনগত কর্তৃত্ব–বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—এ বিষয়েও রুল চাওয়া হয়েছে রিটে।

একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা থেকে এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা থেকে নিয়োগ দিতে এবং নিজস্ব পদোন্নতি পদ্ধতির মাধ্যমে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের থেকে ইসি সচিব নিয়োগের লক্ষ্যে ‘ইলেকটোরাল সার্ভিস কমিশন’ প্রতিষ্ঠা করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, এ বিষয়েও রুল চাওয়া হয়েছে রিটে। আর রুল হলে তা বিচারাধীন অবস্থায় পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের পরবর্তী সব কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়েছে রিটে। প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট দায়েরের পর আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাপারে মতবিনিময় করেছে। তাঁদেরকে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তাঁদের আবারও নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দিলে আরেকটি প্রভাবিত নির্বাচন হবে, তা নিশ্চিত। জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত করতে হবে। তাঁদের মধ্য থেকে পদোন্নতি পদ্ধতির মাধ্যমে ইসি সচিব নিয়োগের পাশাপাশি ‘ইলেকটোরাল সার্ভিস কমিশন’ প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা চেয়ে রিটটি করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়