শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৯:৪৫ সকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দীর্ঘ বিরতির পর ভারতীয় পর্যটকদের জন্য বাংলাদেশে পর্যটক ভিসা আজ থেকে চালু

দীর্ঘ বিরতির পর আজ সোমবার থেকে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য পুনরায় পূর্ণমাত্রায় পর্যটক ভিসা ইস্যু শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঢাকায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন ও ডেপুটি হাইকমিশন কলকাতা এবং ডেপুটি হাইকমিশন মুম্বাইয়ের তিন মিশন প্রাক-কোভিড সময়ের মতো নিয়মিত ও পূর্ণমাত্রায় ভিসা প্রদান করবে বলে কূটনৈতিক সূত্র জনকণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে।

গত ২২ ডিসেম্বরে বিশেষ পরিস্থিতিতে নয়াদিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন সাময়িকভাবে সব ধরনের কনস্যুলার সেবাসহ ভিসা প্রদান স্থগিত করেছিল। নতুন সিদ্ধান্তটি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে আস্থা পুনর্গঠনের একটি তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত বলে হাইকমিশন সংশ্লিষ্টরা জানান।

কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ ও পর্যবেক্ষকদের মতে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য পর্যটন সেবা পুনরায় চালু করা কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি একটি কৌশলগত বার্তা হিসেবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনবে।

চীনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমদ জনকণ্ঠকে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় উভয় দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক কিছুটা স্থবির হলেও নির্বাচিত সরকার আসার পর তা পুনরায় গতি সঞ্চার করতে শুরু করেছে। তার জন্য উভয় দেশকেই ছাড় দেওয়ার মনমানসিকতা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, ভারত বড় দেশ। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের সকল দিক বিবেচনায় নিয়ে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ভারতকেও প্রতিবেশী দেশ হিসেবে কাজে লাগাতে হবে। বাংলাদেশ ভারতের কাজে লাগবে না সেদিকে চিন্তা করা মনে হয় ঠিক হবে না।

বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউট (বিইআই) সভাপতি এম হুমায়ুন কবির বলেন, পর্যটন ভিসা পুনরায় চালু করা একটি গঠনমূলক পদক্ষেপ। দক্ষিণ এশিয়ার পারস্পরিক নির্ভরশীল অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে মানুষে মানুষে যোগাযোগ পুনরুদ্ধার অপরিহার্য। আমরা আশা করি ভারতও সমমর্যাদা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানাবে।

নতুন সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিও একই বার্তা বহন করছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্প্রতি বলেছেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে ‘পারস্পরিক সম্মান, মর্যাদা ও স্বার্থের ভিত্তিতে’ উষ্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে চায়। তিনি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে সাউথ এশিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর রিজিওনাল কো-অপারেশন (সার্ক) পুনরুজ্জীবনের কথাও উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশের এ উদ্যোগের ফলে ভারতও পাল্টা উদ্যোগ নিচ্ছে বলে ভারতীয় কূটনৈতিক সূত্র জনকণ্ঠকে নিশ্চিত করেছে। সূত্র জানায়, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন (মার্চ-এপ্রিল) শেষ হলে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতও পূর্ণমাত্রায় পর্যটক ভিসা পুনরায় চালু করতে পারে। ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ভিসা সেবা স্বাভাবিকীকরণের সম্ভাবনা উজ্জ্বল।

এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ভারতীয় মিশনের জ্যেষ্ঠ কনস্যুলার কর্মকর্তা অনিরুদ্ধ্য রায় জানান, চিকিৎসা ও ডাবল-এন্ট্রি ভিসা ইতোমধ্যে চালু রয়েছে এবং পর্যটক ভিসাসহ অন্যান্য ক্যাটাগরি পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া এগোচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ভারতীয় হাইকমিশন নিয়মিত পর্যটক ভিসা সীমিত করে চিকিৎসা ভিসাকে অগ্রাধিকার দেয়। তার বিপরীতে বাংলাদেশও ভারতীয় নাগরিকদের ওপর ভিসা বিধিনিষেধ আরোপ করে। ফলে দুই দেশের নাগরিক পর্যায়ে যাতায়াত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে গত বছর ভারতে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা কমে যায়। উভয় দেশের স্ট্যুরিস্ট সূত্রগুলোর পরিসংখ্যানে জানা যায়, জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর সময়ে মোট বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪ লাখ ৩৯ হাজার। এর মধ্যে প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ছিল প্রায় ২ লাখ ২৯ হাজার, দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ৯০ হাজার এবং তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ১ লাখ ২০ হাজার। তবে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পর রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরে আসায় চলতি বছরে বাংলাদেশি পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন কূটনীতিক, ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্টরা।

অল্প ভিসা ইস্যু হওয়া সত্ত্বেও ২০২৫ সালে বাংলাদেশ ছিল ভারতের শীর্ষ পাঁচ উৎস বাজারের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পর দ্বিতীয় অবস্থানে। বিশেষত চিকিৎসা, পর্যটনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে ভিসা স্বাভাবিকীকরণ হলে সীমান্তবর্তী বাণিজ্যকেন্দ্র, চিকিৎসাসেবা, খুচরা বাজার ও এভিয়েশন খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। একই সঙ্গে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পর্যটনও নতুন গতি পাবে।
ঢাকা বিশ্নবিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক বিভাগের (আইআর) এমিরেটাস অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহম্মেদ জনকণ্ঠকে বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে উভয় দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন দুই দেশের জন্যই কল্যাণকর। তবে উভয় দেশেরই কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা কাঠিয়ে উঠতে পারলে দুই দেশের জন্যই কল্যাণকর।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নতুন আলাপ-আলোচনা

ভিসা ইস্যু পুনরায় চালুর সিদ্ধান্তের সমান্তরালে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারেও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। শনিবার সিলেট সার্কিট হাউসে বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাশ।

বৈঠকে সিলেট সীমান্তবর্তী স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি, বাণিজ্য বাধা দূরীকরণ, পাট ও বস্ত্রশিল্পে সম্ভাব্য ভারতীয় বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বাণিজ্য ও শিল্প খাতে এ সম্পর্ককে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও ফলপ্রসূ করতে দুই দেশ কাজ করছে।’ তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এ ধরনের আলোচনার মাধ্যমে সিলেট অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাসও দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

বিশেষজ্ঞ মত : আঞ্চলিক বাস্তবতার স্বীকৃত

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিমত, দক্ষিণ এশিয়ায় পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ও ভৌগোলিক সংযোগ এমন এক বাস্তবতা, যেখানে দীর্ঘমেয়াদি ভিসা সীমাবদ্ধতা কোনো পক্ষের জন্যই লাভজনক নয়।
সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনকণ্ঠকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক বহুস্তরীয় নিরাপত্তা, বাণিজ্য, জ্বালানি, সংযোগ ও জনগণ পর্যায়ের যোগাযোগসহ সবকিছুই এখানে জড়িত। ভিসা নীতিতে নমনীয়তা আস্থা পুনর্গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা।’

অর্থনীতিবিদদের মতে পর্যটন ও চিকিৎসা ভ্রমণ দুই দেশের সেবা খাতের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ আয় ও কর্মসংস্থানের উৎস। নিয়মিত ভিসা প্রবাহ পুনরুদ্ধার হলে বিমান পরিবহন, আতিথেয়তা ও খুচরা বাণিজ্যে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

আঞ্চলিক সহযোগিতা প্রসঙ্গে বিশ্লেষকেরা মনে করেন, সার্কসহ বহুপক্ষীয় কাঠামোকে সক্রিয় করতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের স্থিতিশীলতা অপরিহার্য। সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলো সেই স্থিতিশীলতার ভিত্তি মজবুত করতে সহায়ক হতে পারে।

ভারতীয় নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের পর্যটক ভিসা পূর্ণমাত্রায় পুনরায় চালু করা কেবল একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি আস্থা পুনর্গঠনের কূটনৈতিক বার্তা। একই সঙ্গে ভারতের সম্ভাব্য বিপরীত উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন ভারসাম্যে নিয়ে যেতে পারে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও আঞ্চলিক বাস্তবতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে যদি দুই দেশ গঠনমূলক সংলাপ ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখে তবে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্থিতিশীলতায় তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

এদিকে বাংলাদেশের ওপর দিয়ে কলকাতা-আগরতলা আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা ফের চালুর পথে বড় পদক্ষেপ নেওয়া হলো। গত শনিবার ত্রিপুরার কৃষ্ণনগর ডিপো থেকে একটি বাস পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। দুই-তিনদিন ট্রায়াল চলার পর পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে সপ্তাহে তিনদিন নিয়মিত পরিষেবা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।

গত এক বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা জটিলতার কারণে যাত্রী সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। ফলে আন্তর্জাতিক বাস অপারেটর সংস্থা সাময়িকভাবে পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।

অপারেটর সংস্থার তরফে মনোরঞ্জন দেবনাথ জানান, ২০০১ সালে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে হওয়া দ্বিপক্ষীয় চুক্তি এখনো বহাল রয়েছে। নতুন করে অনুমতির প্রয়োজন নেই, আগের চুক্তির আওতাতেই পরিষেবা পুনরায় শুরু হচ্ছে। অর্থাৎ সময়, খরচ এবং ভৌগোলিক সুবিধার দিক থেকে এই রুট অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের সংযোগেও এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।

রাজনৈতিক বার্তা ও কূটনৈতিক তাৎপর্য

সম্প্রতি বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে এগোচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা পুনরারম্ভকে ইতিবাচক কূটনৈতিক সংকেত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা পরীক্ষামূলক যাত্রাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তার মতে এটি দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

যদি পরীক্ষামূলক যাত্রা সফল হয় তবে আগামী সপ্তাহ থেকেই সপ্তাহে তিনদিন নিয়মিত পরিষেবা শুরু হতে পারে। ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হওয়া এবং যাত্রী চাহিদা বৃদ্ধি এই দুই বিষয়ই এখন পরিষেবা টেকসই হওয়ার প্রধান শর্ত।

দুই বাংলার মানুষের কাছে এই বাস শুধু পরিবহন নয়, এটি পারস্পরিক যোগাযোগ, সংস্কৃতি ও আঞ্চলিক সংযোগের প্রতীক। যদিও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের এই নবঅধ্যায় কতটা স্থায়ী ও ফলপ্রসূ হবে তা নির্ভর করবে পারস্পরিক আস্থা, প্রাতিষ্ঠানিক সংলাপ এবং জনগণ পর্যায়ের যোগাযোগ কত দ্রুত ও কার্যকরভাবে পুনরুদ্ধার করা যায় তার ওপর।

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়